সর্বশেষ

সারাদেশ

ময়মনসিংহে কমছে পাখির সংখ্যা, হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য

আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ
আওলাদ রুবেল, ময়মনসিংহ

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ৪:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ময়মনসিংহের আকাশে আর দেখা মিলে না শেষ বিকেলে পাখির দলবদ্ধ উড়ান। ডালে ডালে শোনা যায় না ময়না ও টিয়ার ডাক, খুনসুটিও নেই চড়ই, বুলবুলি কিংবা বক-মাছরাঙার। গাছেও নেই তাদের বাসা। শহরে দিন দিন কমছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সংখ্যা।

বনাঞ্চল ধ্বংস, জলাশয় ভরাট, বিভিন্ন ধরনের দূষণ এবং শিকারই পাখিদের সংখ্যা হ্রাসের মূল কারণ। এতে শুধু পাখিরাই নয়, পুরো এলাকার জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়েছে।

নগরীর জয়নুল পার্কে ঘুরতে আসা শামীম আশরাফ বলেন, “উৎসবের সময় পটকা আর আতশবাজির শব্দে পাখিরা আতঙ্কিত হয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। কমছে গাছপালা, তাই বাসা তৈরির জায়গা নেই।”

দর্শণার্থী জয় ঘোষ জানান, “পাখির অস্তিত্ব বিলীন হলে শুধু পাখিই নয়, মানুষের জীবনেও বিপর্যয় আসবে। আমরা পানি, বায়ু ও শব্দ দূষণের মাধ্যমে তাদের জীবন নাশ করছি।”

জুবিলী ঘাটের বিপিন পার্কে সোমা ঘোষ মনিকা বলেন, “কাক হচ্ছে প্রাকৃতিক ঝাড়ুদার। মৃত পশুর অংশ খেয়ে পরিবেশকে পরিষ্কার রাখে। কিন্তু এখন তারা দৃষ্টিশ্রেণি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। শকুনও যে ঝড়োভাবে মারা যাচ্ছে তা একই কারণে।”

ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক শেখ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, “বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এতে পাখি ও প্রাণীর ওপর বিরূপ প্রভাব কমবে।”

ময়মনসিংহ বন বিভাগ জানিয়েছে, পাখি নিধন ও শিকার রোধে অভিযান চলছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দেশে ৬৫০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি বর্তমানে বাংলাদেশে বিলুপ্ত। নিয়মিত দেখা যায় ৪৭৭ প্রজাতি, যা ৩০১টি আবাসিক ও ১৭৬টি পরিযায়ী। বাকি ১৪৩ প্রজাতি অনিয়মিত দেখা যায়। স্থানীয়রা আশাবাদী, সরকার ও জনগণ মিলিতভাবে পাখি সংরক্ষণে উদ্যোগ নেবে।

১২৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন