পাকুন্দিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে শত বছরের খাল খনন, সেচ ও মৎস্য উৎপাদনে আশার আলো
সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
“আপনি হাত লাগালেই বদলে যাবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে শত বছরের পুরনো দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ খামা খাল খনন শুরু করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল থেকে উপজেলার খামা এলাকায় কয়েক’শ মানুষ এ খনন কাজে অংশ নেন। কোদাল দিয়ে খননের পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে এস্কেভেটরও।
দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালটি ভরাট হয়ে থাকায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত ছিল স্থানীয়রা। খালটি পুনঃখনন করা হলে খামা বিল থেকে গোলডুবা বিল পর্যন্ত পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তারা।
এতে আশেপাশের কয়েক হাজার হেক্টর কৃষি জমি সেচের আওতায় আসবে। পাশাপাশি দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এলাকাবাসী জানান, খালটি সম্পূর্ণ খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। খনন কাজে অংশ নেওয়া কয়েকজন বলেন, “আমরা স্বেচ্ছাশ্রমে এই কাজ করতে পেরে আনন্দিত। খালটি খনন হলে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং মাছ ধরে অনেকের জীবিকা নির্বাহ সহজ হবে।”
যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও খন্দকার শামসুল আলম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আল আশরাফ মামুন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন কর্মসূচিতে জনগণকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ উদ্যোগ নিয়েছি। এটি একটি মডেল উদ্যোগ—সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে, পাশাপাশি জনগণ দায়িত্বশীল হলে উন্নয়ন আরও সহজ হবে।”
১২৮ বার পড়া হয়েছে