সর্বশেষ

জাতীয়অভিযোগ শূন্যে নামাতে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা গড়ার উদ্যোগ: আইজিপি
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: জ্বালানি সাশ্রয়ে আজ থেকে সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ
সারাদেশসৌদিতে মিসাইল হামলায় প্রবাসী মোশারফের মৃত্যু, শোকে পরিবার
চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির বেনাপোলে অভিযান
ভোলাহাটে গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপনে পুরাতন ইট ব্যবহারের অভিযোগ
জাফলংয়ে কুদ্দুস–রুকন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
কুমিল্লায় ৩ হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
আন্তর্জাতিকবাহরাইনের প্রধান তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা
নেতানিয়াহুর সাথে যৌথ সিদ্ধান্তে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তি হবে : ট্রাম্প
খেলাটি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ: ইতিহাস গড়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত
সারাদেশ

ভোলাহাটে গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপনে পুরাতন ইট ব্যবহারের অভিযোগ

মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬ ৬:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় একটি গভীর নলকূপ পুনঃস্থাপন প্রকল্পে নিম্নমানের ও বহু পুরোনো ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি, নতুন করে নির্মাণের কথা থাকলেও নলকূপের ঘর তৈরিতে প্রায় ৪০ বছর আগের পুরোনো ইট ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণ্যনগর মৌজার ১১১২ নম্বর দাগে অবস্থিত ১১০ নম্বর গভীর নলকূপটির হাউজিং নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেটি নতুন করে হাউজিংসহ পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেয় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি বিঘা জমির জন্য প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সংগ্রহ করা হয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নতুন নির্মাণের কথা বলা হলেও বাস্তবে পুরোনো ইট ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষক লিমন বলেন, “আমরা প্রতি বিঘা জমির জন্য প্রায় তিন হাজার টাকা দিয়েছি। আশা ছিল সবকিছু নতুন করে নির্মাণ করা হবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে পুরোনো ইট দিয়ে কাজ চলছে।”

আরেক কৃষক আতিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “দুই নম্বর মানের ইটের খোয়া এবং অনেক পুরোনো ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।”

এ বিষয়ে বিএমডিএ’র ভোলাহাট উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী লোকমান হাকিমের কাছে কাজের সিডিউল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে ‘ন্যারো বিষয়’ বলে মন্তব্য করেন। পরে তিনি রজব নামে এক ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন। তবে পরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণসামগ্রী আগের মতোই সেখানে পড়ে রয়েছে।

এ বিষয়ে বিএমডিএ’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মামুনুর রশিদ বলেন, “পুরোনো বা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে সঠিক মানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে সেচ কার্যক্রমে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়।

১২২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন