সর্বশেষ

জাতীয়কাতার, আমিরাত, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি বার্তা
কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা, এক বাংলাদেশিসহ আহত কয়েকজন
ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতাল ৫শ' শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের
সারাদেশটাঙ্গাইলের সাবেক এমপির লাশ ভারত থেকে দেশে ফিরল
রাজশাহীতে মিথ্যা প্রচারণা, পোশাক শোরুমে জরিমানা
সাঘাটায় লাইসেন্সবিহীন সেমাই কারখানায় অভিযান, জরিমানা ও পণ্য ধ্বংস
জামালপুরে অবৈধ মজুদকৃত টিসিবির ১৪শ' লিটার তেল জব্দ
জাফলং-এ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান: ২ জনের কারাদণ্ড
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ফসলি জমির মাটি বিক্রি: যুবককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
জয়পুরহাটে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূকে ফাঁস দিয়ে হত্যা
কুষ্টিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত একাধিক, ভাঙচুর-লুটপাট ২০ বাড়িতে
নোয়াখালী টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি লিয়াকত, সম্পাদক রহিম
আন্তর্জাতিকহামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হামলায় নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
খামেনির উপদেষ্টা শামখানি ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান পাকপুরও নিহত হয়েছেন: ইরান
খামেনি নিহত হয়েছেন, ট্রুথ সোশ্যালে জানালেন ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলার দাবি
খেলানাটকীয় জয়ের পরও পাকিস্তানের বিদায়, সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড
সারাদেশ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন প্রকল্পে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

মুরাদুল ইসলাম সনেট, রাজশাহী
মুরাদুল ইসলাম সনেট, রাজশাহী

রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬ ৯:৫৩ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের নির্মাণকাজ দিতে গিয়ে ৯ শতাংশ ঘুষ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে।

‘জেনিট করপোরেশন’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দাবি করেছেন, কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁর কাছে ঘুষের হার নিয়ে দর-কষাকষি করা হয়েছে। তবে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ অবাস্তব ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।

নগরের সিলিন্দা এলাকায় প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ চলছে। প্রথম ধাপে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্পটির পরিচালক (পিডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রায় ৭৭৭ কোটি টাকার ছয়টি প্যাকেজের নির্মাণকাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-

৫৫৪ কোটি টাকায় ১ হাজার ২০০ শয্যার হাসপাতাল ভবন
১০৩ কোটি টাকায় ৯ তলা একাডেমিক ভবন
২৬ কোটি টাকায় তিনতলা উপাচার্য কার্যালয় ভবন
৩৬ কোটি টাকায় পুরুষ ও নারী নার্সদের জন্য পৃথক দুটি ডরমিটরি
১১ কোটি টাকায় মসজিদ
৩৬ কোটি টাকায় উপাচার্যের বাসভবন ও দিবাযত্নকেন্দ্র
১১ কোটি টাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নির্মাণ
দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগ তুলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর ‘মেসার্স তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এতে দরপত্র প্রক্রিয়া বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।

এদিকে, ‘জেনিট করপোরেশন’-এর স্বত্বাধিকারী আতাউর রহমান টিপু দাবি করেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বিবেচনায় উপাচার্যের পক্ষ থেকেই যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে ৯ শতাংশ ঘুষ দাবি করা হয়, পরে তা ৮ ও ৭ শতাংশে নামানো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৯ শতাংশেই আলোচনা চলছিল বলে তিনি জানতে পারেন।

আতাউর রহমানের অভিযোগ, কাজ পেতে হলে দাবি করা অর্থের অর্ধেক আগাম দিতে হতো এবং বাকি অর্থের জন্য নিরাপত্তা হিসেবে চেক জমা রাখতে বলা হয়। পাশাপাশি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত একটি সম্মতিপত্রেও স্বাক্ষর করতে বলা হয়।

তিনি বলেন, এসব শর্তে সম্মত হলে দরপত্রের যোগ্যতার শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হতো, যাতে কেবল তাঁর প্রতিষ্ঠানই তা পূরণ করতে পারে এবং প্রতিযোগিতা ছাড়াই কাজ পায়।

তিনি বলেন, “এ ধরনের শর্তে আমি কাজ নিতে রাজি হইনি। পরে উপাচার্যকে ফোন করে বলেছি, সরকারি ক্রয় নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছভাবে দরপত্র আহ্বান করুন। যোগ্য ঠিকাদারই কাজ পাক। কিন্তু তিনি স্বচ্ছভাবে কাজ করতে আগ্রহী নন বলে আমার মনে হয়েছে।”

অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অবাস্তব অভিযোগ। একজন ঠিকাদার মাঝেমধ্যে আমাকে ফোন করতেন এবং অসংলগ্ন কথা বলতেন। একপর্যায়ে আমি তাঁর নম্বর ব্লক করে দিই।”

তিনি আরও জানান, ছয়টি প্যাকেজের মধ্যে একটির মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং সেটির কার্যাদেশ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বাকি প্যাকেজগুলো মূল্যায়নাধীন রয়েছে।

উপাচার্যের ভাষ্য, “আমি প্রকৌশল বিষয় কম বুঝি। তাই সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে ও সন্তুষ্ট হয়েই স্বাক্ষর করি। কারও সঙ্গে ঘুষ বা অনৈতিক লেনদেনের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।”

১০৪ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন