বীরত্বপূর্ণ উদ্ধার অভিযান: মুন্সীগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের সম্মাননা
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:১৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবু নাঈমের মরদেহ উদ্ধারে সাহসিকতা প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালকসহ পাঁচজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ডুবুরী মো. জিসান ইসলাম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দপ্তরের উপপরিচালক মো. সম্রাট মোল্যা, সদরঘাট নদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ডুবুরী মো. মাসুদুল হক এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স দপ্তরের এলআর শাখার ড্রাইভার কাম ডুবুরী মো. আবু ইউসুফ।
আবু নাঈমের মরদেহ উদ্ধারে সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রত্যেককে মহাপরিচালকের প্রশংসা ‘ইনসিগনিয়া’, আর্থিক সম্মানী এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লে. কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. শহীদ আতাহার হোসেন এবং মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজের দুই দিন পর পদ্মা সেতু সংলগ্ন নদীর প্রায় ৪০ ফুট গভীর থেকে আবু নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার অভিযানে মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা থেকে দুটি ডুবুরি ইউনিট অংশ নেয়। এছাড়া নৌবাহিনীর ডুবুরি ইউনিটসহ বিভিন্ন সেবা বাহিনীর উদ্ধারকারী দল অভিযানে কাজ করে।
দুই দিনব্যাপী অনুসন্ধান শেষে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। নিহত আবু নাঈম মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)-এর সিভিল মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন বলে জানা গেছে।
১২২ বার পড়া হয়েছে