সর্বশেষ

জাতীয়বরিশালে ২০ বছর পর তারেক রহমান, বেলস পার্কে বিএনপির জনসভা শুরু
জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যু, শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত
জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক, বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক
সারাদেশনারীর অধিকার খর্ব হলে বিএনপি মানবে না : নাটোরে দুলু
শার্শায় মসজিদের টয়লেট নির্মাণকালে ককটেল বিস্ফোরণে ২ শ্রমিক আহত
নরসিংদীর রায়পুরায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, আহত ১০
কিডনি রোগে শেরপুর-৩ আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর মৃত্যু
প্রতিদ্বন্দ্বীর নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ফরিদুল ইসলামের
আন্তর্জাতিকমুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম নিহত
খেলাক্রিকেটের আইনে বেশ কয়েকটি বড় পরিবর্তন এমসিসির
আন্তর্জাতিক

মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
লিবিয়ার প্রয়াত শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি নিহত হয়েছেন। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনতানে মঙ্গলবার তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বলে জানা গেছে।

লিবিয়ায় কর্মরত আল-জাজিরার প্রতিনিধি আহমেদ খলিফা জানান, গত এক দশক ধরে সাইফ আল-ইসলাম জিনতানেই অবস্থান করছিলেন। সেখানেই তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

৫৩ বছর বয়সী সাইফ আল-ইসলামের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন তাঁর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আবদুল্লাহ ওসমান। তবে হামলাকারীদের পরিচয় কিংবা হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

পাশ্চাত্যে শিক্ষিত ও সাবলীল বক্তা হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম তাঁর বাবার শাসনামলে লিবিয়ার কঠোর রাজনৈতিক ব্যবস্থার তুলনামূলক প্রগতিশীল মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০০০ সালের শুরুর দিকে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে লিবিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

২০০৮ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারে নাগরিক সমাজের ভূমিকা।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের আগে সাইফ আল-ইসলামকে লিবিয়ার দ্বিতীয় সর্বাধিক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ওই বছর গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর বিদ্রোহীরা তাঁকে জিনতানে আটক করে। পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় ২০১৭ সালে তিনি মুক্তি পান, তবে এরপরও জিনতান এলাকাতেই বসবাস করছিলেন।

রাজনীতিতে প্রভাবশালী ও বিতর্কিত এই নেতার মৃত্যু লিবিয়ার দীর্ঘদিনের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

২৫১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন