সর্বশেষ

জাতীয়আজ পবিত্র শবেবরাত, মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র রাত
মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ৫৭ হাজার ৫০০ টন গমের খালাস শুরু
সারাদেশমোংলায় যৌথ অভিযানে ১১৯ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক
সাতক্ষীরায় চার আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন ১৮ হাজার ৭৭০ জন
মোংলায় যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেফতার
আন্তর্জাতিকহামাসকে নিরস্ত্র হতে দুই মাস সময় দেবে ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’
খেলাজরুরি বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা, পিসিবির চিঠির অপেক্ষায় আইসিসি
আন্তর্জাতিক

হামাসকে নিরস্ত্র হতে দুই মাসের সময়সীমা দেবে ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’

ডেস্ক রিপোর্ট
ডেস্ক রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৩:৫৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে অস্ত্র সমর্পণের জন্য দুই মাসের আলটিমেটাম দেওয়া হবে—এমনটাই জানিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদের পক্ষ থেকেই এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে বলে দাবি করেন তিনি।

তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের স্থানীয় দৈনিক মাকর রিশোন-এ সোমবার প্রকাশিত এক মন্তব্যে কট্টর ডানপন্থী নেতা স্মোট্রিচ বলেন, শান্তি পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের জন্য দুই মাস সময় দেওয়া হবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, হামাস পুরোপুরি ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় সামরিক অভিযান বন্ধ করবে না ইসরায়েল।

স্মোট্রিচ বলেন, “গাজায় হামাসের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না—তা সামরিক হোক, বেসামরিক হোক বা প্রশাসনিক। এটি আমাদের অঙ্গীকার এবং যুদ্ধের মূল লক্ষ্য।”

তবে এ বিষয়ে ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বর্তমানে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকার অর্ধেকেরও বেশি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে এবং কার্যত পুরো অঞ্চলেই তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে হামাসকে নিরস্ত্র করা। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এই প্রক্রিয়া তিন মাস আগেই শুরু করা উচিত ছিল।

উল্লেখ্য, গাজা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগেই গত বছরের ১০ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পরবর্তীতে গত নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে এ পর্ষদের কার্যক্রম অনুমোদন পায়।

হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এই শান্তি পর্ষদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই। কূটনীতি, উন্নয়ন, অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক কৌশলে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত একটি নির্বাহী বোর্ড তাঁকে সহায়তা করছে।

যদিও গাজায় চলমান যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটেই এই পর্ষদের আত্মপ্রকাশ, তবু এর সনদে সরাসরি গাজার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বর্তমানে গাজা উপত্যকায় প্রায় ২৪ লাখ মানুষ চরম মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১৫ লাখ বাস্তুচ্যুত।

পর্ষদের সনদে একে একটি ‘আন্তর্জাতিক সংস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিশ্চিত করা। এই কাঠামোর মাধ্যমে ট্রাম্পকে ব্যাপক নির্বাহী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ভেটো প্রয়োগ ও সদস্য নিয়োগের অধিকারও রয়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, এই শান্তি পর্ষদ মূলত জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের একক প্রভাব প্রতিষ্ঠার একটি উদ্যোগ।

১১৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
আন্তর্জাতিক নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন