দেশে ৩.০ মাত্রার হালকা ভূমিকম্প, ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই
রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
বাংলাদেশে আজ রবিবার ভোরে হালকা মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার অব সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ১ ফেব্রুয়ারি ভোর ৪টা ২ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এনসিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩.০ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ২০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পটির অবস্থান নির্ণয় করা হয়েছে অক্ষাংশ ২৪.৮৫ ডিগ্রি উত্তর ও দ্রাঘিমাংশ ৯২.০৭ ডিগ্রি পূর্বে, যা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পড়ে।
সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ভূমিকম্পের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, কম্পনের গভীরতা তুলনামূলকভাবে কম হলেও এটি ছিল হালকা প্রকৃতির।
এদিকে ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ভলক্যানো ডিসকভারি জানিয়েছে, ভোর ৪টা ২ মিনিটে (জিএমটি +৬) সিলেট শহর থেকে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে এই ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। সংস্থাটির মতে, এটি একটি মৃদু ভূমিকম্প হওয়ায় কোথাও উল্লেখযোগ্য কম্পন অনুভূত হয়নি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি হালকা হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো আতঙ্ক ছড়ায়নি। এখন পর্যন্ত কোথাও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটি ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা-এই তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে, অপরদিকে ইউরেশীয় প্লেট সরে যাচ্ছে প্রায় ২ সেন্টিমিটার হারে।
বাংলাদেশের আশপাশে বগুড়া ফল্ট, ত্রিপুরা ফল্ট, ডাউকি ফল্ট, শিলং মালভূমি ও আসাম ফল্টসহ একাধিক সক্রিয় চ্যুতি রেখা রয়েছে। এসব কারণে দেশটিকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর এলাকাকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিশ্বের অন্যতম জনবহুল রাজধানী ঢাকা প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাসের কারণে বিশেষ ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে ঢাকাকে বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ শহরের একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট-ভারতীয়, ইউরেশীয় ও বার্মা প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর প্রায় ৬ সেন্টিমিটার গতিতে উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে, অন্যদিকে ইউরেশীয় প্লেট উত্তর দিকে প্রায় ২ সেন্টিমিটার গতিতে সরে যাচ্ছে। এই ভূতাত্ত্বিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত। দেশটির আশপাশে বগুড়া ফল্ট, ত্রিপুরা ফল্ট, শিলং মালভূমি, ডাউকি ফল্ট ও আসাম ফল্টসহ একাধিক সক্রিয় চ্যুতি রেখা রয়েছে। এসব কারণে বাংলাদেশকে ১৩টি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের জৈন্তাপুর অঞ্চলকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল রাজধানী ঢাকায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩০ হাজারের বেশি মানুষের বসবাস করে। একে বিশ্বের ২০টি সবচেয়ে ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ শহরের একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
১০৪ বার পড়া হয়েছে