সর্বশেষ

জাতীয়সাতরাস্তা মোড়ে কারিগরি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট
আজ পবিত্র শবেবরাত, মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র রাত
মোংলা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা ৫৭ হাজার ৫০০ টন গমের খালাস শুরু
সারাদেশমোংলায় যৌথ অভিযানে ১১৯ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক
সাতক্ষীরায় চার আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন ১৮ হাজার ৭৭০ জন
মোংলায় যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ ২ কারবারি গ্রেফতার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে  বালিয়াডাংগায় নুরুল ইসলাম বুলবুলের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অপসারণ, সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ
আন্তর্জাতিকহামাসকে নিরস্ত্র হতে দুই মাস সময় দেবে ট্রাম্পের ‘শান্তি পর্ষদ’
খেলাজরুরি বৈঠক নিয়ে ধোঁয়াশা, পিসিবির চিঠির অপেক্ষায় আইসিসি
জাতীয়

চালের দামে স্বস্তা, তবে সবজি-মাছের বাজারে এখনও চাপ

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৭:২২ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দীর্ঘ সময় পর চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিলেও সবজি, মাছ এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

চাল বিক্রেতারা জানান, সম্প্রতি ভারত থেকে সরু নাজিরশাইল এবং মোটা চাল আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৪ থেকে ৮৬ টাকায়, যা আগে ছিল ৯০-৯২ টাকা। মোটা জাতের স্বর্ণা ও পায়জাম চালের দামও কমে এখন ৫৬ থেকে ৬০ টাকা প্রতি কেজি।

তবে জনপ্রিয় মিনিকেট চালের দাম আগের মতোই রয়েছে — প্রতি কেজি ৭৮ থেকে ৮৫ টাকা। এ বিষয়ে সেগুনবাগিচার এক ব্যবসায়ী বলেন, “ভারত থেকে চাল আমদানি বাড়ায় বাজারে দাম কমছে। তবে দেশি মিনিকেটের দামে এখনো পরিবর্তন আসেনি।”

চাল মোকামে দাম কমার কথাও জানালেন তালতলা বাজারের বিক্রেতারা। জনৈকের মতে, “মোকামে ২৫ কেজির প্রতি বস্তায় ১০০-১২০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। নাজিরশাইল এখন ২০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যা আগে ছিল ২২০০ টাকা।”

সবজির বাজারেও সামান্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেলেও তা এখনো সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হয়নি। পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়, আর করলা, বেগুন, বরবটি ও চিচিঙ্গার দাম ৮০-১০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। তুলনামূলকভাবে সস্তা সবজির মধ্যে রয়েছে পেঁপে (৪০ টাকা) এবং আলু (৩০ টাকা)।

বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। আগে যা ছিল ৭৫-৮০ টাকা প্রতি কেজি, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকায়। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানে এখনো কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে — ৭৫ টাকাও চাওয়া হচ্ছে কোথাও কোথাও।

মাছের বাজারে এখনো চড়া দামের চাপ বিরাজ করছে। চাষের মাছের সরবরাহ কম থাকায় নদীর মাছের চাহিদা ও দাম দুই-ই বেড়েছে। এক হালি (৪টি) মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার টাকায়। এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশের দাম প্রতি পিস ২০০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

চিংড়ির বাজারেও একই অবস্থা। চাষের চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০-৮০০ টাকায়, আর নদীর চিংড়ির দাম ১০০০-১২০০ টাকা। কই, শিং, শোল, ট্যাংরা ও পুঁটির দামও বেড়েছে। চাষের রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪২০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০-২৬০ টাকায় এবং পাঙ্গাশ ২০০-২৫০ টাকায়।

এদিকে, ব্রয়লার ও সোনালি জাতের মুরগি এবং ডিমের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়, আর সোনালি জাতের মুরগির দাম ৩০০-৩২০ টাকা। ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকা প্রতি ডজন।

২৬৫ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন