সর্বশেষ

জাতীয়তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল : আপিল প্রক্রিয়া শুরু; জানিয়েছেন তাসনিম
ঢাকার ২০ আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ, বাতিল হলে আপিলের সুযোগ
আজ থেকে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু, পারস্পরিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
এনসিপিতে নেতৃত্ব সংকট, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে একের পর এক পদত্যাগ
আফতাবনগরে তিন চাকার ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার পাইলটিং কর্মসূচির উদ্বোধন
এবার জেঁকে বসেছে শীত, তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে
ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে নাজেহাল ঢাকা, বাড়ছে শীতজনিত ভোগান্তি
সারাদেশজয়পুরহাটে জুয়েলার্সে ডাকাতি: ৩৫ ভরি স্বর্ণ ও ৬ লাখ টাকা লুট
বরিশালে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবকের মৃত্যু
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৭ কেজি গাঁজা ও দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
আন্তর্জাতিকভেনেজুয়েলায় বিস্ফোরণ, যুদ্ধবিমানের আওয়াজ: সন্দেহ হামলাকারী যুক্তরাষ্ট্র ১
মেক্সিকোর দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে ৬.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২
জেলেনস্কি ইউক্রেনের নতুন চিফ অব স্টাফ করলেন কিরিলো বুদানভকে
পাকিস্তানকে ‘খারাপ প্রতিবেশী’ বললেন জয়শঙ্কর, সিপিইসি নিয়ে সতর্কতা
খেলামোস্তাফিজকে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেয়ার নির্দেশ বিসিসিআইয়ের
যুব বিশ্বকাপের জন্য আজিজুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা
নতুন বছরে হোঁচট আল নাসরের, সহজ সুযোগ নষ্ট করে সমালোচনায় রোনালদো
পর্যটন

আল্পসের কোলে বিচ্ছিন্ন গ্রাম: রোমান্টিক নাকি কঠিন বাস্তবতা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪ ৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
ইতালির আল্পস পর্বতমালার কোলে অবস্থিত কোডেরা গ্রাম। কোমের হ্রদ থেকে অনেক ওপরে অবস্থিত এই গ্রামটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও সেখানে বাস করা খুবই কঠিন। শুধুমাত্র প্রায় ২ হাজার ৬০০ সিঁড়ি ভেঙে বা হেলিকপ্টারে চড়ে সেখানে পৌঁছানো সম্ভব।



এই বিচ্ছিন্ন গ্রামে মাত্র ৯ জন মানুষ পাকাপাকি বাস করেন। রেস্তোরাঁর মালিক এলেনা গুসমেরোলি ছোট সেই সমাজের স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে তিনি রেস্তোরাঁয় পৌঁছান।


হেলিকপ্টারে চেপেও সেখানে পৌঁছানো যায়। তবে প্রতিটি উড়ালের মাসুল প্রায় ৩০০ ইউরো। তাই শুধু নিজের ও গ্রামের অন্যান্যদের জন্য খাদ্য এবং অন্যান্য পণ্য আনার কাজেই তিনি সেই পরিষেবা ব্যবহার করেন।


গ্রামে পৌঁছানোর কোনো পাকা রাস্তা নেই। আলপ্স পর্বতের ওপর সারা বছর ধরে বিচ্ছিন্ন এমন জনপদ আর অবশিষ্ট নেই।


গ্রামের সবচেয়ে কনিষ্ঠ বাসিন্দা ৪৫ বছর বয়সী পিসনোলিস। তিনি পরিবর্তন চান। তিনি বলেন, "আমি রাস্তা চাই। গ্রামটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সেটা প্রয়োজন। আমাদেরকে জাদুময় নিসর্গ অথবা খ্রিস্টমাসের পোস্টকার্ড হিসেবে দেখলে চলবে না।"


তার মতে, পর্যটকদের জন্য এটা এক স্বর্গরাজ্য। কিন্তু তার কাছে গ্রামটি মরে যাচ্ছে। কারণ সেখানে কীই বা করার আছে? কোনও কাজ করা যায়? একটা রাস্তা থাকলে পাথর ভাঙা যেত, কাঠ কাটা যেত। কিন্তু সেটা ছাড়া সেগুলো কীভাবে উপত্যকায় আনা সম্ভব? এখনকার মতো ঘাড়ে চাপিয়ে?


তা সত্ত্বেও পাহাড়ের প্রতি ভালোবাসার টানে ডেভিস নিজের ছাগলগুলোর কাছেই থাকতে চান।


এখনও রাস্তা তৈরির কোনও পরিকল্পনা না থাকায় কোডেরা আরও বহুকাল পৃথিবীর দূর প্রান্তের এক প্রায় বিচ্ছিন্ন গ্রাম হিসেবে টিকে থাকবে।


গ্রামের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা কতটা কঠিন, তা তাদের কথা থেকেই স্পষ্ট। রাস্তা তৈরি হলে তাদের জীবনযাত্রার মান কিছুটা উন্নত হতে পারে।


২৩২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
পর্যটন নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন