সর্বশেষ

সারাদেশ

নরসিংদীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় আসামি শাকিল গ্রেপ্তার

শামীম মিয়া, নরসিংদী
শামীম মিয়া, নরসিংদী

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:৫৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
নরসিংদীর মনোহরদীতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম শাকিল নামে এক ব্ল্যাকমেইলারকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই ছিল এই প্রতারক চক্রের মূল কাজ।

নরসিংদীর মনোহরদী থানা এলাকার বহুল আলোচিত চাঁদাবাজি ও প্রতারণা মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম শাকিলকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে বুধবার রাতে তাকে মনোহরদী থানায় হস্তান্তর করা হলে, বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শাকিল উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের হাফিজপুর গ্রামের বাসিন্দা কাজী নজরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চালাকচর ইউনিয়ন পরিষদের নারী সদস্য রোকেয়া আক্তারের স্বামী জাকির হোসেন স্থানীয় বাজারে একটি দোকান ক্রয়ের জন্য সাজ্জাদ আলী বাহার নামে এক ব্যক্তিকে ১৮ লাখ টাকা প্রদান করেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও বাহার দোকান বুঝিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান। এই দ্বন্দ্বের সূত্র ধরে অভিযুক্ত শাকিল ওই দোকান মালিকের পক্ষ নিয়ে জাকির দম্পতিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান শুরু করে। একপর্যায়ে গত আগস্ট মাসে সমস্যা সমাধানের কথা বলে ওই দম্পতির কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে সে।

চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় শাকিল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে ভুক্তভোগী নারী ইউপি সদস্য ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে নানাবিধ কুৎসা এবং মিথ্যা তথ্য ছড়াতে থাকে। একই সাথে স্থানীয় কিছু অনলাইন পোর্টালেও এসব অসত্য খবর প্রকাশ করায়। নিরুপায় হয়ে রোকেয়া আক্তার বাদী হয়ে নরসিংদী আদালতে একটি চাঁদাবাজি ও মানহানির মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশকে দিলে প্রাথমিক সত্যতা মেলায় শাকিলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে জানান, শাকিল এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ব্ল্যাকমেইলিং চক্র পরিচালনা করতেন। এই চক্রের মূল কাজ ছিল স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে মানহানির ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে সামাজিকভাবে হেনস্তা করা হতো। মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শাকিলের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

১১১ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০