সর্বশেষ

সারাদেশ

শিবালয়ে ৪,৫০০ লিটার পেট্রোল জব্দ, লড়িসহ এনএসআইয়ের হাতে ধরা

সোহেল রানা, মানিকগঞ্জ (শিবালয়)
সোহেল রানা, মানিকগঞ্জ (শিবালয়)

বৃহস্পতিবার , ৯ এপ্রিল, ২০২৬ ৮:১৩ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রহিম খানের মালিকানাধীন রুমি ফিলিং স্টেশন থেকে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল সরিয়ে নেওয়ার সময় একটি তেলের লড়িসহ জ্বালানি জব্দ করেছে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বরংগাইল এলাকায় অবস্থিত রুমি ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মেট্রো-চ-৪১-০০৩৫ নম্বরের লড়িটি আটক করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ ডিপো থেকে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার লিটার জ্বালানি নিয়ে লড়িটি ওই দিন সন্ধ্যায় পাম্পে পৌঁছায়। এর মধ্যে ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাম্পে খালাস করা হলেও অবশিষ্ট সাড়ে ৪ হাজার লিটার পেট্রোল গোপনে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, শিবালয় উপজেলা পরিষদের বিপরীতে টেপড়া এলাকায় অবস্থিত যমুনা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ডিলার ‘মামুন এন্টারপ্রাইজ’-এ ওই পেট্রোল খালাস করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনএসআই সদস্যরা সেখানে গিয়ে পেট্রোল খালাসের প্রমাণ হাতে পান।

এ সময় গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতি টের পেয়ে লড়িটি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে পুনরায় রুমি ফিলিং স্টেশনে ফিরে যায়। পরে সেখান থেকেই লড়িটি আটক করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি- বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পাম্প কর্তৃপক্ষ পেট্রোল সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছিল। অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ না করে বেশি দামে ওই পেট্রোল যমুনা ডিলারের কাছে বিক্রি করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে সেখান থেকে তা আরও বেশি দামে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পৌঁছানো হতো।

এর ফলে ভোক্তাদের প্রতি লিটার পেট্রোল ১৮০ থেকে ২২০ টাকা পর্যন্ত দামে কিনতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে, এনএসআইয়ের অভিযানে এ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

তবে লড়ি ও পেট্রোল জব্দ করা হলেও বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে সকাল ৮টা ৫৮ মিনিটে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে আছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পরে জানানো হবে।”

১৪৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন