শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে, দুপুর পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৬.১ শতাংশ
বৃহস্পতিবার , ৯ এপ্রিল, ২০২৬ ৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ আসনে মোট ২৬ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।
তবে নির্বাচনের মধ্যে কিছু কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান অভিযোগ করেছেন, কয়েকটি কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে এবং জাল ভোট দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। যদিও এসব অভিযোগ নাকচ করেছেন বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি বলেন, “এটি বিএনপির আসন। যেহেতু এবার একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হচ্ছে, তাই আমি শতভাগ আশাবাদী যে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরাপদ হবে।”
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী এবং প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ, এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদী মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং পুলিশের বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁইয়া জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। তিনি বলেন, কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার সুযোগ নেই।
এদিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময় পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে পুরো এলাকা নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে।
শেরপুর-৩ আসনটি দুইটি উপজেলা, ১৭টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্রের ৭৫১টি ভোটকক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১৮ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিম, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মাঠে নিয়োজিত রয়েছে।
১৪৪ বার পড়া হয়েছে