সর্বশেষ

সারাদেশ

তনু হত্যা: ১০ বছর পর তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ

ইকবাল হোসেন জোবায়ের, কুমিল্লা
ইকবাল হোসেন জোবায়ের, কুমিল্লা

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১:০৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যার মামলায় তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তের অগ্রগতি জানার জন্য সম্প্রতি কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে চিঠি পাঠায়। এরপর সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে মামলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে লিখিত প্রতিবেদন জমা দেন। বিচারক মো. মুমিনুল হক ওই প্রতিবেদনের আলোকে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন।

পিবিআই ঢাকার পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তনুর ব্যবহৃত কিছু কাপড় থেকে আগেই তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল নেওয়া হয়েছিল, তবে তা পরে ম্যাচিং করা হয়নি। আদালত এ কারণে আজ পুনরায় তিনজনের ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছে। তিনজনই বর্তমানে সেনাবাহিনী থেকে অবসরপ্রাপ্ত। তদন্ত কর্মকর্তাকে মামলার পরবর্তী তারিখে অগ্রগতি জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মামলার বিষয়ে তনুর বাবা ইয়ার হোসেন আদালতে উপস্থিত হয়ে বলেন, “বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডনে থাকার সময় বলেছিলেন বিএনপি ক্ষমতায় এলে তনুর হত্যার বিচার করবেন। আমি এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মেয়ের হত্যার বিচার চাইব। মেয়ের ছবি নিয়ে দেশে ঘুরছি। দেশের সব হত্যার বিচার হয়, আমার মেয়ের কেন হবে না? গত ১০ বছর ধরে তনুর মায়ের সঙ্গে যে যেখানে বলেছে ছুটে গিয়েছি, এখন আর পারছি না।”

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে তনু আর বাসায় ফেরেননি। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় তদন্ত করেও কোনো সুরাহা করতে পারেনি। সর্বশেষ ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকে প্রায় চার বছর মামলাটি পিবিআই সদর দপ্তরের পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান তদন্ত করেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এই মামলার ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পান পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন