সর্বশেষ

জাতীয়

জরুরি হাম টিকাদান শুরু কাল: ১৮ জেলার ৩০ উপজেলা অগ্রাধিকার

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
দেশে হামের উচ্চ সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামীকাল রোববার থেকে জরুরি হাম–রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগ ও একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, এ কর্মসূচির আওতায় মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ২৬৭টি শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তালিকাভুক্ত উপজেলাগুলোর মধ্যে সংক্রমণের দিক থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে রয়েছে বরগুনা সদর উপজেলা।

যে সব উপজেলায় টিকাদান কার্যক্রম চলবে
নির্বাচিত ৩০ উপজেলার মধ্যে রয়েছে—
বরগুনা সদর; বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ; চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর; কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু; ঢাকার নবাবগঞ্জ; গাজীপুর সদর; যশোর সদর; ঝালকাঠির নলছিটি; মাদারীপুর সদর; মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর; ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর; নাটোর সদর; নেত্রকোনার আটপাড়া; নওগাঁর পোরশা; চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট; পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া; রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টিকাবিষয়ক কারিগরি কমিটি নাইট্যাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আরও কয়েকটি উপজেলা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে হামের সংক্রমণ হার বর্তমানে ১৬ দশমিক ৮, যা উদ্বেগজনক বলে বিবেচিত হচ্ছে।

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে—

বরগুনায় সংক্রমণ হার সবচেয়ে বেশি (২৯৫), আক্রান্ত ২৬ শিশু, পাবনা সদরে সংক্রমণ হার ১৮০, আক্রান্ত ৩২ শিশু, চাঁদপুর সদরে সংক্রমণ হার ১৪৪, আক্রান্ত ২৪ শিশু। এসব এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

একাধিক জেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জনবলসংকট এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য সহকারীদের প্রায় ৩০ শতাংশ পদ শূন্য থাকায় টিকাদান কার্যক্রমে চাপ বাড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ২ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ৩ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ৯৪৭ জন সন্দেহজনক রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪২ শিশুর হাম নিশ্চিত হয়েছে।

এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ হাজার ৭৯২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৭১ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

একই সময়ে সন্দেহজনকভাবে ৯৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হামের কারণে নিশ্চিত হয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক এক সপ্তাহে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ জনের বেশি বলে জানা গেছে।

১৩৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন