লাইনচ্যুত রেল স্বাভাবিক হতে অনেক দেরি, যাত্রীদের জন্য বিকল্প ট্রেন
বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬ ৭:১৭ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে চলাচল ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্তত ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দুর্ঘটনার পর যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে রেলওয়ে ‘ট্রান্সশিপমেন্ট পরিকল্পনা’ চালু করেছে। এ ব্যবস্থায় ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীরা নির্দিষ্ট স্টেশনে ট্রেন পরিবর্তনের মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।
রেলওয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস চলাচল করবে। খুলনা ও নীলফামারী রুটে সীমান্ত এক্সপ্রেস ও রূপসা এক্সপ্রেস এবং রাজশাহী-চিলাহাটি রুটে তিতুমীর এক্সপ্রেস ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের মাধ্যমে ট্রান্সশিপমেন্ট কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এছাড়া পার্বতীপুর স্পেশাল ও বাংলাবান্ধা অথবা কাঞ্চন এক্সপ্রেস দিয়ে ঢাকা-পার্বতীপুর রুটের যাত্রীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ৭৯৭ নম্বর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসকে বগুড়া হয়ে কুড়িগ্রাম রুটে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে দুর্ঘটনার কারণে ৮০৪ নম্বর বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস (আক্কেলপুর-রাজশাহী), ৮০৩ নম্বর (রাজশাহী-পঞ্চগড়) এবং বৃহস্পতিবারের ৮০৪ নম্বর (পঞ্চগড়-রাজশাহী) ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধারকারী দল ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তবে ৯টি বগি সরাতে সময় লাগতে পারে।
উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস সান্তাহারে পৌঁছালে এর ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১২৪ বার পড়া হয়েছে