খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ ৫:১৫ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপি নেতা এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। রবিবার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় দেশের ৪২টি জেলা পরিষদের জন্য নতুন প্রশাসক নিয়োগের অংশ হিসেবে এ নিয়োগ দেয়।
মনিরুল হাসান বাপ্পী সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ (পাইকগাছা–কয়রা) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও নির্বাচিত হতে পারেননি। দলীয় সূত্রের মতে, ওই নির্বাচনে পরাজয়ের পেছনে স্থানীয় পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে অনেকেই দায়ী করছেন। তবে নির্বাচনে জয়ী না হলেও দলের উচ্চপর্যায়ের আস্থায় তিনি নতুন এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন।
এর আগে ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার দুই দিনের মধ্যেই সংসদ সদস্য পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। এবার জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়ে আবারও চমক দেখালেন এই বিএনপি নেতা।
রবিবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মনিরুল হাসান বাপ্পী। রূপসার বঙ্গবন্ধু কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরে তিনি খুলনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন। তিনি রূপসা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং পরে খুলনা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন।
দলীয় রাজনীতিতে তিনি জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও পরে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর তিনি খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব নির্বাচিত হন। পরে ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ওই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর নতুন কমিটিতে সভাপতি হন মো. মনিরুজ্জামান মন্টু এবং সদস্য সচিব হন শেখ আবু হোসেন বাবু। বাবু অসুস্থ হয়ে পড়লে কেন্দ্রীয় বিএনপির সিদ্ধান্তে মনিরুল হাসান বাপ্পীকে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এদিকে পাইকগাছা ও কয়রা এলাকায় দলীয় দ্বন্দ্ব নিরসন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এখন জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পাওয়ায় তার ওপর নতুন দায়িত্ব যুক্ত হলো।
১৬১ বার পড়া হয়েছে