পূর্ব নির্ধারিত স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে ডিসি বরাবর স্মারকলিপি
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
ময়মনসিংহ নগরীর গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে পূর্ব নির্ধারিত স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে পুরাকীর্তি সুরক্ষা কমিটি, ময়মনসিংহ অঞ্চল। রবিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ময়মনসিংহের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফিজার রহমান গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল প্রাঙ্গণে মহান ভাষা আন্দোলনের স্মারক শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য একটি নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ ও অনুমোদন করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সেই পূর্ব নির্ধারিত স্থানের পরিবর্তে বাংলাদেশের অন্যতম সংরক্ষিত পুরাকীর্তি নিদর্শন ‘আলেকজান্ডার ক্যাসেল’-এর নিকটবর্তী খেলার মাঠে শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।
এতে করে একদিকে খেলার মাঠ সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ঐতিহাসিক আলেকজান্ডার ক্যাসেলের নান্দনিক সৌন্দর্য ও দৃশ্যমানতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। ইতোমধ্যে আলেকজান্ডার ক্যাসেল সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। বর্তমান অনির্ধারিত স্থানে শহীদ মিনার নির্মিত হলে তা ভবিষ্যতে ক্যাসেলের সৌন্দর্যহানির কারণ হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে অপরিকল্পিত ও অনির্ধারিত স্থানে চলমান নির্মাণ কাজ বন্ধ করে পূর্ব নির্ধারিত স্থানেই শহীদ মিনার নির্মাণের দাবি জানায় সংগঠনটি।
এ বিষয়ে পুরাকীর্তি সুরক্ষা কমিটি, ময়মনসিংহ অঞ্চলের সদস্য সচিব ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, প্রাচীন ময়মনসিংহ নগরীতে অবস্থিত আলেকজান্ডার ক্যাসেল একটি বিখ্যাত সংরক্ষিত পুরাকীর্তি নিদর্শন। এর সামনের মাঠের অংশটুকু ক্যাসেলের সৌন্দর্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। মাঠের পশ্চিম-উত্তরে রয়েছে রবীন্দ্র বটমূল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে তেঁতুলতলা, যা আলেকজান্ডার ক্যাসেলের ইতিহাসের অংশ।
তিনি আরও বলেন, ক্যাসেলের লাগোয়া স্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ না করে মাঠের উত্তরে পূর্ব নির্ধারিত স্থানে মহান ভাষা আন্দোলনের স্মারক হিসেবে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করাই যথাযথ হবে।
১২৬ বার পড়া হয়েছে