সেন্টু চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় চার্জশিট নিয়ে গড়িমসি, তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নঈম উদ্দিন সেন্টু হত্যা মামলার তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। মামলার সব ধরনের সাক্ষ্যপ্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে চার্জশিট দাখিল না করায় তদন্ত কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্র ও স্বজনদের দাবি, চরাঞ্চলে সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখায় পরিকল্পিতভাবে সেন্টু চেয়ারম্যানকে হত্যা করা হয়েছে। তারা জানান, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে ফিলিপনগর ইউনিয়ন ও আশপাশের চরাঞ্চলে সন্ত্রাসীরা পুনরায় সংগঠিত হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ্য দিবালোকে নিজ কার্যালয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন নঈম উদ্দিন সেন্টু (৬৫)।
এ ঘটনায় নিহত চেয়ারম্যানের একমাত্র ছেলে তরিকুল ইসলাম টুকুকে প্রধান আসামি করে দৌলতপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে গিট্টু সোহাগ বাহিনীর নামও উঠে এসেছে বলে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এদিকে, সম্ভাব্য সহিংসতা এড়াতে এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) বাগোয়ান কেসিভিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে অভিযান চালিয়ে আজিজুল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় শুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ৪০০ টাকা।
বিজিবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী। তাকে উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা প্রতিরোধ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মাদক, অস্ত্র পাচার ও সব ধরনের চোরাচালান দমনে বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১১৯ বার পড়া হয়েছে