সর্বশেষ

কবিতা

সম্ভাবনাময় কবি

জগতের সকল আশা গুলো যদি এক জায়গায় জড়ো করা যেতো,
ভালো লাগা গুলো গুনগুনিয়ে গান গেয়ে যেতো,

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
প্রেমের কবিতা

পহেলা বৈশাখে বৈশাখী সাজে
সেজেছিলে অপরূপা,
চোখে ছিল সুরমা-কাজল
চুলে গোলাপ খোঁপা।

জসীম উদ্‌দীন এর কবিতায় গ্রামীণ জীবন ও নিসর্গ 

জসীম উদ্‌দীনের লোকভিত্তি ছিল লোকজ চেতনাকে সংহত করার মধ্যে। তিনি লোকজীবন ঘনিষ্ঠ উপাদানের ক্রমাগত ধারাবাহিক উপস্থাপন করে তাঁর সঙ্গে আধুনিক চেতনা ও আঙ্গিক কৌশলকে জুড়ে দিতে পেরেছিলেন বলেই জীবননির্ভর আধুনিক কাব্য রচনার জন্য তিনি বিশিষ্ট।

নীরব ঠোঁটের উচ্চারণ

আমার ভিতর বাহিরে
ভয়ানকভাবে গ্রাস করেছে কবিতা,
এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে
এলোমেলো অনিয়ম।

শক্তি চট্টোপাধ্যায়: বাংলা কবিতার এক বোহেমিয়ান কিংবদন্তি

বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশ শতকের শেষার্ধকে যদি ‘জীবনানন্দ-পরবর্তী পর্ব’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়, তবে সেই পর্বের গগনে শক্তি চট্টোপাধ্যায় এক ধ্রুবতারা, যাঁর দীপ্তি কেবল নিজস্ব নয়, বরং তা আলোকপাত করেছে পরবর্তী একাধিক কাব্যপ্রজন্মের উপর।

কবিতায় নান্দনিকতা

কবিতা, মানব ইতিহাসের এক সুপ্রাচীন শিল্পরূপ, কেবল ভাব বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং অভিজ্ঞতার গভীরতম স্তর থেকে উৎসারিত এক সুনির্মিত আলঙ্কারিক প্রতিভাস। এই শিল্পরূপের মূল ভিত্তিভূমি হলো নান্দনিকতা—যা সৌন্দর্য, শিল্পিত রুচি এবং আনন্দ-সৃষ্টির তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে।