সাহিত্য
প্রেমের অন্তরাল-নীরব আলোর দরিয়া
নীরবতার ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে এক অদেখা প্রেম,
যেখানে শব্দ মরে গিয়ে জন্ম নেয় নূরের স্নিগ্ধ হেম।
মৃত্তিকার মৌন ও জলছবির গান: রবীন্দ্র-চেতনার নিসর্গ-দিগন্ত
আজ ২০২৬ সালের এক অলস ভোরের আলো যখন জানলার কার্নিশ ছুঁয়ে ঘরে ঢোকে, তখন চারপাশের যান্ত্রিক শব্দের ভিড়েও কেমন এক অদ্ভুত শূন্যতা কাজ করে। ক্যালেন্ডারের পাতায় আগস্টের এই সিক্ত দিনগুলো একসময় মেঘমল্লারের সুরে গান গেয়ে উঠত, অথচ আজ সেখানে কেবল তপ্ত বাতাসের হাহাকার। এই যে ঋতুচক্রের খেই হারিয়ে ফেলা, মাটির বুক চিরে কংক্রিটের অরণ্য গড়া আর নদীগুলোকে টুঁটি টিপে হত্যা করা এই সংকটের দিনে বারবার একজনের কথা মনে পড়ে। তিনি রবীন্দ্রনাথ। তাঁকে কেবল একজন কবি বা সাহিত্যিক বললে বড় কম বলা হয়; তিনি ছিলেন এই ধরিত্রীর এক অতন্দ্র প্রহরী, যাঁর কলম মাটির গভীরে শিকড় ছড়িয়ে আর আকাশের নীলিমায় ডানা মেলে আমাদের শিখিয়েছিল কীভাবে বেঁচে থাকতে হয়।
হাসির আড়ালে এক মেঘলা আকাশ
আমি তখন সবে ইন্টারমিডিয়েট ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্র। বয়সটা এমন—পড়াশোনার খাতায় ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন, আর বাস্তবে মাথার ভেতর সারাক্ষণ দুষ্টুমির ভূত।
পড়ালেখা করতাম, খেলাধুলা করতাম, আর সুযোগ পেলেই এমন সব কাণ্ড করতাম যে পাড়ার মানুষ আমাকে দেখলেই দূর থেকে বলত,
—ওই যে, শয়তানটা আসছে!
ত্রিশালে সেমিনারনজরুল কাব্যে বিদ্রোহ: সমাজ, রাজনীতি ও সাহিত্যের পাঠ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক বিদ্রোহের বিভিন্ন দিক নিয়ে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রীতির কাব্য
আল্লাহ সৃষ্টি করেন আমায়
কেউ ডাকেন ঈশ্বর
কেউ ভগবান ডাকেন তাকে
তিনি অবিনশ্বর।
হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার পেলেন আজাদুর রহমানসহ তিন সাহিত্যিক
বাংলা সাহিত্যের কবিতা, গবেষণা ও কথাসাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের হুমায়ুন কবির সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন তিন সাহিত্যিক। কবিতায় আজাদুর রহমান, গবেষণায় ড. মোহাম্মদ হান্নান এবং কথাসাহিত্যে কিযী তাহনীন এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।