সাহিত্য
শরৎ প্রাতে তুমি
শুভ্রতার মায়া দিয়ে সবুজের উজ্জ্বলতা যেনো দ্বিগু হয়ে ধরা দিলো প্রকৃতিতে।
সাদা মেঘের ভেলায় সন্দেশ নিয়ে হাজির হলো শরৎ
সেকিগো।।
চলে যাবো
চলে যাবো- জেনেও,
কত আয়োজন, কত স্বপ্ন বোনা;
বিদায়ের ছায়ায় তবুউষ্ণ রোদ্দুর
নিষ্ঠুর পৃথিবীতে মায়ার আনাগোনা।
কবিতায় নান্দনিকতা
কবিতা, মানব ইতিহাসের এক সুপ্রাচীন শিল্পরূপ, কেবল ভাব বিনিময়ের মাধ্যম নয়, বরং অভিজ্ঞতার গভীরতম স্তর থেকে উৎসারিত এক সুনির্মিত আলঙ্কারিক প্রতিভাস। এই শিল্পরূপের মূল ভিত্তিভূমি হলো নান্দনিকতা—যা সৌন্দর্য, শিল্পিত রুচি এবং আনন্দ-সৃষ্টির তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দিকগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে।
গুমরে মরে প্রাণ
ইট–পাথরে বন্দি জীবন,
গুমরে মরে প্রাণ,
ভালোবাসি অনেক বেশি
ভালবাসি, ভালোবাসি,অনেক বেশি ভালোবাসি !
কচি লাউয়ের ডগা যেমন মাচাকে আঁকড়ে বাঁচে,
অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত: বাংলা কাব্যের জঙ্গম যাত্রী ও শাশ্বতের অন্বেষক
বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বাংলা কাব্য-পরিমণ্ডলে অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তের আবির্ভাব এমন এক সন্ধিক্ষণে সংঘটিত হয়, যখন তিরিশের দশকের আধুনিকতাবাদী উত্তরাধিকার নবীন শৈল্পিক অনুসন্ধান ও নন্দনতাত্ত্বিক পুনর্বিন্যাসের জন্ম দিচ্ছিল।