সাহিত্য
স্মৃতিগন্ধী জলপাইগুড়ি থেকে কলকাতার রাজপথ: সমরেশ মজুমদার ও মহাকালের শব্দসাঁকো
আজ ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে সময় তার অমোঘ নিয়মে এগিয়ে চলেছে। দুপুরের তপ্ত রোদ ম্লান হয়ে যখন গোধূলির ছায়া দীর্ঘতর হতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই কোনো এক নিঃসঙ্গ লাইব্রেরির কোণে কিংবা কোনো এক তরুণের ডিজিটাল রিডারের স্ক্রিনে ভেসে উঠছে একটি নাম -সমরেশ মজুমদার।
তোমাকে চাই
সন্ধ্যার আকাশ অপেক্ষা করে
পাখি ফিরে যাক নীড়ে
পথ খুঁজে পাক সে বনের ঠিকানায়
ঘনিয়ে আসা অন্ধকারে!
মহাকালের নদী ও একাকী নাবিকরবীন্দ্র-কাব্যের বিবর্তন ও আধুনিকতার গহন পথরেখা
সময় এক প্রবহমান রহস্য। এই সময়ের বিশাল ক্যানভাসে মানুষ আসে, পদচিহ্ন রেখে যায়, আবার মহাকালের ধুলোয় মিশেও যায়। কিন্তু কিছু সত্তা থাকে যারা সময়ের বুক চিরে নতুন এক সময়ের জন্ম দেয়।
শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথ
শিলাইদহের কুঠিবাড়ী ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্রনাথের প্রপিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুরের নামে ক্রয় করেন ঠাকুরবাড়ীর জমিদারী। এরপরের ইতিহাস কমবেশী অনেকের জানা।
অমর প্রেম
তোমার মনের রাজ্যের রাজা হবো
তুমি হবে রানী!
জানে জানুক জগতবাসী
হোক না জানাজানি!
প্রতিবাদে অপবাদ
প্রতিবাদে যদি অপবাদ জোটে—
নীরব প্রস্থানই ভালো,
এই বোধ আজ বুকের ভেতর
জমেছে অন্ধকার কালো।