সর্বশেষ

সারাদেশ

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটক নিখোঁজ, চারজনের মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:১১ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ পর্যটকের মধ্যে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ ঘটনায় চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন একজন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের কাছের সৈকত থেকে ওই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া পাঁচ পর্যটকের মধ্যে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর নাম মোহাম্মদ হারুন। তিনি চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ কবিরের ছেলে। স্বজনেরা প্রাথমিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরের সৈকতে ভেসে আসা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় চার পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হলো। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ঢাকার আজিমপুরের বাসিন্দা নাফিসুল হক নিবিড় (২২)।

এর আগে বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার মারিনা রিসোর্টের পাশের সৈকতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা হলেন ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসিন্দা রোহান (২৩) ও শহীদুল ইসলাম জিসান (২৩) এবং চট্টগ্রামের বায়েজিদ শার্সা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আকাশ (২১)।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটকদের দুটি পৃথক দল হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজু খাল পেরিয়ে সমুদ্র ও খালের মোহনায় জেগে ওঠা একটি বালুচরে বেড়াতে যায়।

বিকেলের দিকে সাগরে পূর্ণ জোয়ার শুরু হলে ধীরে ধীরে বালুচরটি পানিতে তলিয়ে যায়। তবে পর্যটকেরা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। একপর্যায়ে পুরো চর পানির নিচে চলে গেলে দুই দলের সদস্যরা সাগরের পানিতে আটকা পড়েন।

ইউএনও আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তাঁরা চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে তল্লাশি চালিয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার করা হয় আরও একজনের মরদেহ।

জীবিত উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে রাকিব হাসান, একই এলাকার মৃত ছগিরের ছেলে মো. সানী এবং বায়েজিদে বসবাসকারী নোয়াখালীর বাসিন্দা মো. হেলালের ছেলে মোহাম্মদ আকাশ। তাঁরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সানী ও আকাশ জানান, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা ট্রেনে করে কক্সবাজারে পৌঁছান। এরপর পেঁচারদ্বীপে আগে থেকে বুকিং করা একটি রিসোর্টে ওঠেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাঁরা রেজু খাল পেরিয়ে ওই বালুচরে যান। একই সময়ে ঢাকা থেকে আসা আরেকটি পর্যটক দলও সেখানে অবস্থান করছিল। হঠাৎ জোয়ারের পানি বেড়ে যাওয়ায় তাঁরা বিপদের মুখে পড়েন।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, নিহত চারজনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলছে।

১১০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০