সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ৬:৫৪ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জহির ফকির (যুবদল নেতা) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত রাতে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে নিজের ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন তিনি। পরে তাঁকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে আড়াইহাজার থানার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জহির ফকিরকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত রাতে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে নিজের ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালায়।
নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের খরিয়ারচর গ্রামের আব্দুল রহমান মাতব্বরের ছেলে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, রাতে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল জহির ফকিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাগনে ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে মোবারক হোসেনের সঙ্গে জহির ফকিরের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগেও মোবারক তাঁর লোকজন নিয়ে জহিরের ওপর কয়েকবার হামলা করেছিলেন বলে তাঁরা দাবি করেন।
ইসমাইল ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে আড়াইহাজার থেকে মোবারক ও তাঁর লোকজন এসে রাতে ফার্মেসি থেকে বাড়ি ফেরার পথে জহির ফকিরকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মোবারক হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক জানান, নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো যাবে।
১০৯ বার পড়া হয়েছে