জামালপুরের মাদারগঞ্জে আগাম শসা চাষে ভাগ্য বদলাচ্ছে কৃষকদের
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ৬:১০ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় আগাম শসা চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। কম খরচ ও স্বল্প সময়ে অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এ সবজি চাষের পরিধি। চলতি মৌসুমে ভালো ফলন ও বাজারে সন্তোষজনক দাম পেয়ে দারুণ খুশি এলাকার চাষিরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মাদারগঞ্জে প্রায় ৬০ হেক্টর জমিতে আগাম শসার আবাদ করা হয়েছে। এসব জমি থেকে প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন শসা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদিত শসা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন ট্রাকযোগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠজুড়ে ঝুলছে থরে থরে শসা। কৃষকেরা গ্রিন বিউটি, জাদু, জিনিয়া ও ময়নামতিসহ নানা আধুনিক জাতের শসা আবাদ করেছেন। অধিকাংশ চাষি বর্তমানে আধুনিক মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে শসার আবাদ করছেন, যা ফলন বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখছে।
স্থানীয় কৃষকদের তথ্যমতে, বীজ রোপণের মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল আসতে শুরু করে। প্রতি বিঘা জমিতে শসা চাষে খরচ হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আর আবহাওয়া ভালো থাকলে প্রতি বিঘার শসা বিক্রি হয় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায়। বাজারে বর্তমানে পাইকারি প্রতি কেজি শসা ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং খুচরা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, মাদারগঞ্জের মাটি ও আবহাওয়া শসা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সরকারিভাবে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। উৎপাদন ভালো হওয়ায় প্রতিবছরই এ অঞ্চলে শসা চাষির সংখ্যা ও জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১৭৪ বার পড়া হয়েছে