সর্বশেষ

সারাদেশ

সেসিপ প্রকল্পের জনবল রাজস্বখাতে স্থানান্তরে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ

শামীম বিন সাত্তার, ঢাকা
শামীম বিন সাত্তার, ঢাকা

বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২:৩৮ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
সেসিপ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিধিবহির্ভূতভাবে রাজস্বখাতে স্থানান্তরের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কতিপয় কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী চক্রের যোগসাজশে চলমান আদালতের মামলা ও সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে এই পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ১৯৯৯-২০০৭ মেয়াদে সেসিপ প্রকল্পে নিয়োগপ্রাপ্ত ২৪১ জন কর্মকর্তার পদায়নের বিষয়ে গত ১২ অক্টোবর অফিস সময়ের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব কর্মকর্তার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ ও আপিল মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও তড়িঘড়ি করে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে, যা ২০২১ সালের সরকারি নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।

অভিযোগে আরও প্রকাশ, ঢাকার ডিডি অফিসে কর্মরত গবেষণা কর্মকর্তা শারমিন আক্তার নিজেকে শিক্ষামন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করছেন। এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং আইন উপদেষ্টা এই আত্তীকরণের বিষয়ে একাধিকবার নেতিবাচক মতামত দিলেও তা উপেক্ষা করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ ও সংবাদপত্রের কাটিং জমা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আদালতের রায় ও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এই পদায়ন বাস্তবায়ন করা হলে সরকার চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়বে। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

৯১৯ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০