সর্বশেষ

জাতীয়

প্রতিটি ঘরকে দুর্যোগ মোকাবিলার কেন্দ্র করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ৮:৩২ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সচেতনতা ও পারিবারিক প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগের প্রথম আঘাত আসে পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর। তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিটি ঘরকে দুর্যোগ মোকাবিলার মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

দুর্যোগপরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে আগাম সচেতনতা ও প্রস্তুতির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ একটি দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ দেশের মানুষকে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হয়। এর পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে হাজারো মানুষের প্রাণহানির ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি দেশের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে, নেপালের ঘটনাই তার প্রমাণ।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এখন আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের দায় একেবারেই নগণ্য হলেও এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগীদের মধ্যে এ দেশের মানুষ রয়েছে। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হবে। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতের তুলনায় দুর্যোগ মোকাবিলায় দেশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগের সময় সম্মুখসারিতে থেকে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এখনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো নেই।

এ পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি জরুরি আহ্বান জানান তিনি।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। এ জন্য ভবন ও আবাসন নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

এ ছাড়া নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং দূষণ বন্ধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর মতে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভব।

১৭২ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০