উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ জনকল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১:০৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ করা অর্থ দেশের স্বার্থ ও মানুষের কল্যাণে সঠিকভাবে ব্যয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনগণের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক, দায়িত্বশীল ও আন্তরিক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ করা অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থ ও মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যয়ের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।
সভায় মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব লক্ষ্য অর্জনে সরকার বাজেট বরাদ্দ দেবে। তবে বরাদ্দ করা অর্থ জনগণের। তাই এই অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন দেশের স্বার্থে এবং মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের মনোযোগী হতে হবে।
সরকারি দায়িত্ব পালনের সুযোগকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা বিশেষ সুযোগ-সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে রয়েছেন। এই সুযোগ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত।
তারেক রহমান বলেন, আল্লাহ তাআলা তাঁদের দেশের জন্য ও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। যার যতটুকু কাজ করার সুযোগ রয়েছে, তা আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করার চেষ্টা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের সুযোগ সব সময় থাকে না। তাই যে যখন যে দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁর উচিত সেই সুযোগ যথাযথভাবে দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো।
সভা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যাঁর হাতে যত দিন কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেই সময়টুকু যেন দেশের ও মানুষের স্বার্থে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়, সে চেষ্টা সবাইকে করতে হবে।
সভায় কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে ভবিষ্যতে আবারও আলোচনা করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তী সভাগুলোতে কর্মকর্তারা তাঁদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মতামত আরও খোলামেলাভাবে তুলে ধরবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০৮ বার পড়া হয়েছে