সর্বশেষ

সারাদেশ

চালুর দুই দিনের মাথায় যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

ফজলে এলাহী মাকাম
ফজলে এলাহী মাকাম

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ ৭:২৬ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
গ্যাস সংকটে প্রায় আট মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় উৎপাদনে ফেরার দুই দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জামালপুরের সরিষাবাড়ীর যমুনা সার কারখানার উৎপাদন আবার বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার বিকেলে কারখানার বয়লারে ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান মো. ফজলুল হক জানান, গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ পাওয়ায় সোমবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে বুধবার বিকেলে বয়লারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

ফজলুল হক বলেন, দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকায় বয়লারে এ ত্রুটি দেখা দিয়েছে। কারখানার অন্যান্য যন্ত্রাংশ সচল রয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে বয়লারের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হলে কারখানাটি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে না পারলেও চালুর পর গত দুই দিনে মোট ১ হাজার ৬০০ টন সার উৎপাদন হয়েছে।

যমুনা সার কারখানা দৈনিক ১ হাজার ৭০০ টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে কয়েক বছর ধরে গ্যাসের চাপ স্বল্পতা ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বর্তমানে কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টনে নেমে এসেছে।

গ্যাস সরবরাহের অভাব ও বিভিন্ন যান্ত্রিক জটিলতার কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ ২৩ মাস কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল। এরপর গ্যাস সংকটের কারণে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ পাওয়ার পর সোমবার গভীর রাতে কারখানাটিতে সার উৎপাদন শুরু হয়। কিন্তু দুই দিনের মাথায় বয়লারের ত্রুটিতে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে যমুনা সার কারখানা জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে।

কারখানার কর্মকর্তারা জানান, স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ থাকলে কারখানাটিতে মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে কারখানার মুনাফা হয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও যন্ত্রপাতি সচল রাখতে গ্যাস বিল বাবদ প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

১২৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০