গোপালগঞ্জে ১ হাজার ২৮৮ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, নিরাপত্তায় সিসিটিভি
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১২ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
গোপালগঞ্জে দুর্গাপূজা উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে জোর কদমে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এ বছর জেলার ৫টি উপজেলায় রেকর্ড ১ হাজার ২৮৮টি পূজা মণ্ডপে দেবীর বন্দনা করা হবে। উৎসবকে আনন্দময় ও নিরাপদ করতে মণ্ডপগুলোতে বর্ণিল আলোকসজ্জার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে এখন উৎসবের আমেজ গোপালগঞ্জে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দেবী পক্ষের ক্ষণগণনা। এরপর ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে ঢাকের কাঠি বাজবে মণ্ডপে মণ্ডপে এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই উৎসব।
জেলার বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মৃৎশিল্পীরা দিনরাত এক করে খড়, বাঁশ ও দোআঁশ মাটি দিয়ে ফুটিয়ে তুলছেন মা দুর্গার প্রতিমা। শহরের বাজার যুব সংঘ ও মৈত্রী সংঘসহ বিভিন্ন মণ্ডপে এখন রঙ-তুলির আঁচড় দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। শিল্পীরা জানান, কাঁচামালের দাম বাড়লেও দেবীকে রূপ দেওয়ার ঐতিহ্যগত আনন্দই তাদের কাছে মুখ্য।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর গোপালগঞ্জের পাঁচটি উপজেলায় মোট ১ হাজার ২৮৮টি মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৫০টি, কোটালীপাড়ায় ৩১৫টি, মুকসুদপুরে ৩০৭টি, কাশিয়ানীতে ২২৬টি এবং টুঙ্গিপাড়ায় ৯০টি মণ্ডপ রয়েছে। উৎসব সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি মণ্ডপের জন্য সরকারিভাবে ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান জানান, প্রতিটি মণ্ডপকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানিয়েছেন, মণ্ডপগুলোতে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ টহল জোরদার করা হবে।
১১৯ বার পড়া হয়েছে