সর্বশেষ

সারাদেশ

বোয়ালমারীতে বিরোধিতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠিত হল নৌকাবাইচ

আবিদ জামান, ফরিদপুর
আবিদ জামান, ফরিদপুর

সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ৬:৫৯ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্থানীয় একটি গোষ্ঠীর বিরোধিতা ও মাইকিংয়ের মধ্যেও অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ও গ্রামীণ মেলা। শনিবার বিকেলে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারসংলগ্ন কুমার নদে নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্থানীয় ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠীর বিরোধিতার মধ্যেই ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারসংলগ্ন কুমার নদে এ নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে নদীর দুই পাড়ে বসে গ্রামীণ মেলা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নৌকাবাইচ ও মেলার আয়োজনের আগে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করে প্রচার চালায়। তারা মেলাকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে অনুপযুক্ত দাবি করে আয়োজন বন্ধের আহ্বান জানিয়ে এলাকায় মাইকিং করে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও কিছুটা উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়।

তবে আয়োজক ও স্থানীয় যুব সমাজ পূর্বনির্ধারিত সময়ে নৌকাবাইচ আয়োজনের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নৌকাবাইচ ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

নৌকাবাইচ দেখতে নদীর দুই পাড়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। বিভিন্ন এলাকা থেকে চারটি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

নৌকাবাইচ ও মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এসএম মাসুদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইদুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসাইন, সহ-সভাপতি খান আতাউর রহমান এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ খান রাব্বি প্রমুখ।

আয়োজনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয়, সে জন্য নদীর দুই পাড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁরা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নৌকাবাইচ ও মেলা আয়োজনের বিরোধিতা নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে এলাকায় আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে নৌকাবাইচ আয়োজনের সিদ্ধান্তে অটল থাকার কথা জানানো হয়।

স্থানীয়দের অনেকে বলেন, নৌকাবাইচ গ্রামবাংলার দীর্ঘদিনের লোকঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। এ ধরনের আয়োজনকে ঘিরে প্রতিবছরই কুমার নদের তীরে মানুষের মিলনমেলা বসে।

১০৭ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০