সর্বশেষ

সারাদেশ

ফরিদপুরে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামী ও শাশুড়ির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সাইদা আক্তার ইমা, ফরিদপুর
সাইদা আক্তার ইমা, ফরিদপুর

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সুমি আক্তার নামের এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামী আতিয়ার রহমান ও শাশুড়ি রাহেলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর সোমবার ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই সাথে আদালত অপর এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত শাশুড়ি রাহেলা বেগম আদালতে উপস্থিত থাকলেও ঘাতক স্বামী আতিয়ার রহমান পলাতক ছিলেন। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় নিহত গৃহবধূর শ্বশুর খলিলুর রহমান তালুকদারকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে বোয়ালমারী উপজেলার কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমানের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌতুক হিসেবে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা দেওয়া হলেও সুমির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন থামেনি। একপর্যায়ে সুমি অন্তঃসত্ত্বা হলে জোরপূর্বক তার গর্ভপাত ঘটানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করেন তার পরিবার।

নির্যাতনের একপর্যায়ে ২০১১ সালের ১১ মে সকালে কেশরাইল গ্রামের বাড়ি থেকে সুমির রহস্যজনক মৃত্যুর খবর পায় তার পরিবার। নিহতের স্বজনরা সেখানে গিয়ে ঘরের ভেতর পালঙ্কের ওপর সুমির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এই ঘটনায় নিহতের ভাই মো. সরোয়ার মোল্যা বাদী হয়ে বোয়ালমারী থানায় একটি পরিকল্পিত হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি চৌধুরী জাহিদ হাসান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করে রাষ্ট্রপক্ষ।

১২০ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০