জুবাইদা রহমানের সঙ্গে মেলানিয়া ট্রাম্পের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৭:১০ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগ ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের দ্য সেন্ট রেজিস নিউইয়র্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানে মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের ফার্স্ট স্পাউস ও নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন। শিশুদের শিক্ষা, প্রযুক্তি, ডিজিটাল দক্ষতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো অনুষ্ঠানের আলোচনায় গুরুত্ব পায়।
মেলানিয়া ট্রাম্পের ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বিশ্বের শিশুদের জন্য শিক্ষা ও প্রযুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণ এবং নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা। সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এ উদ্যোগে।
নিউইয়র্কের এ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে এ আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে এসেছে। এর আগে চলতি বছরের মার্চে ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার: গ্লোবাল কোয়ালিশন সামিট’-এও মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
ওয়াশিংটনের ওই সম্মেলনে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। শিশুদের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের গুরুত্বের ওপর তিনি জোর দেন।
ওই সম্মেলনে মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে ডা. জুবাইদা রহমানের সাক্ষাৎও হয়েছিল। সে সময় দুজনকে করমর্দন করতে এবং পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে দেখা যায়।
মঙ্গলবার নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানটি মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগের আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার পরবর্তী পর্যায়ের অংশ। মার্চে ওয়াশিংটনে উদ্বোধনী সম্মেলনের পর নিউইয়র্কের এ আয়োজনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে শিশুদের ভবিষ্যৎ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি আবারও গুরুত্ব পেয়েছে।
১৩৫ বার পড়া হয়েছে