মা ও ভাতিজিকে হত্যায় ইমনের স্বীকারোক্তি, কারাগারে প্রেরণ
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৯:০৮ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
কুমিল্লার দেবীদ্বারে মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ইমন মিয়া (২৯) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় মা ও আট মাস বয়সী ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগে আটক ইমন মিয়া (২৯) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৪-এর বিচারক সায়মা শরীফ নিশাতের আদালতে তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে সোমবার সকালে দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন ইমনের মা পিয়ারা বেগম এবং তাঁর আট মাস বয়সী ভাতিজি ইসরাত জাহান। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও ইমনের ভাবি রাবেয়া বেগম গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, সোমবার সকালে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ইমন দা দিয়ে তাঁর মাকে কোপান। একপর্যায়ে তিনি ভাতিজি ইসরাত জাহানকে আছাড় দেন। এ সময় রাবেয়া বেগম বাধা দিতে গেলে তাঁকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পিয়ারা বেগম ও ইসরাত জাহানকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ইমনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ইমন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। এ ঘটনায় দেবীদ্বার থানায় ৩০২, ৩২৫ ও ৩০৭ ধারায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ৩১।
পুলিশ জানায়, আদালতে ইমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে নিহত পিয়ারা বেগম ও ইসরাত জাহানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
১২২ বার পড়া হয়েছে