সর্বশেষ

জাতীয়

দুদকে অভিযোগের দুই মাস পরও অনুসন্ধান শুরু হয়নি, মাউশির ডিজি ও সাবেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

শামীম বিন সাত্তার
শামীম বিন সাত্তার

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ৯:৩৪ অপরাহ্ন

শেয়ার করুন:
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং অধিদপ্তরের সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দাখিলের প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং অধিদপ্তরের সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে গত ১৯ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী সাপ্তাহিক ডাকুয়ার সম্পাদক শামীম বিন সাত্তার। তাঁর দাবি, অভিযোগে মাউশির বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের পাশাপাশি বদলি ও পদায়নসংক্রান্ত বাণিজ্য এবং অন্যান্য আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বদলি ও পদায়নসংক্রান্ত বিষয়ে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো কোনো তদন্ত বা আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি।

অভিযোগপত্রে নাজিম উদ্দিনকে মাউশির সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার উদ্যান সরকারি কলেজে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বর্তমানে মাউশির মহাপরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। চলতি বছরের এপ্রিলে তাঁকে মাউশির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে, অভিযোগ দাখিলের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও দুদকের পক্ষ থেকে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে অভিযোগকারীকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না—তা স্পষ্ট নয়। ফলে অভিযোগটির বিষয়ে দুদকের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসহ অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে। দুদক অনুসন্ধান শুরু করলে এসব অভিযোগের প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল ও নাজিম উদ্দিনের বক্তব্য জানা গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

১৩৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০















সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২৫০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০