ফিতরা নির্ধারণ: জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শেয়ার করুন:
চলতি ১৪৪৭ হিজরি সনের জন্য সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটি। এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ২০২৫ সালেও ফিতরার হার একই ছিল।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে ফিতরার হার তুলে ধরা হয়।
সভায় জানানো হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সামর্থ্যবান মুসলমানরা গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস কিংবা পনির-এই ছয়টি পণ্যের যেকোনো একটি নির্ধারিত পরিমাণ বা তার সমমূল্য ফিতরা হিসেবে আদায় করতে পারবেন।
গম বা আটার ক্ষেত্রে নির্ধারিত পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’), যার বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা হিসেবে)। যবের ক্ষেত্রে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম দিতে হবে, যার বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা ধরে)।
এছাড়া কিসমিসের ক্ষেত্রে এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম, যার বাজারমূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৮০০ টাকা ধরে) নির্ধারণ করা হয়েছে। খেজুরের জন্য একই পরিমাণে ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা ধরে) এবং পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা ধরে) ফিতরা আদায় করতে হবে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় খুচরা বাজারে দামের তারতম্য থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী ফিতরা পরিশোধ করলেও তা আদায় হবে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ কমিটির সভাপতির পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
উল্লেখ্য, ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় যদি কোনো ব্যক্তি নেছাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন—অর্থাৎ সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমমূল্যের সম্পদ থাকে—তবে তার নিজের ও নাবালক সন্তানসহ নির্ভরশীলদের পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। ঈদের নামাজের আগে ফিতরা আদায় করার নির্দেশনা রয়েছে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।
১২০ বার পড়া হয়েছে