সর্বশেষ

জাতীয়বাংলাদেশই প্রথম ও শেষ ঠিকানা: নারায়ণগঞ্জে তারেক রহমান
চানখাঁরপুল মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় আজ
ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারার আহ্বান তারেক রহমানের
২২ বছর পর ময়মনসিংহে তারেক রহমান, বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে বিশাল সমাবেশ
সারাদেশগাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা: ৪ জন আহত, মোটরসাইকেল ভাঙচুর
বাগেরহাটে ডিসি ও এসপিকে হুমকি, বিদেশি নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কল
ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার সমর্থকদের সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গায় ১৪ জন আহত
আন্তর্জাতিকফিলিপাইনে ৩৫৯ জনকে নিয়ে ডুবল ফেরি, ১৫ জনের মৃত্যু
প্রশান্ত মহাসাগরে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা, নিহত ২
খেলাইয়ামালের দুর্দান্ত গোল, আবার শীর্ষে বার্সা
সারাদেশ

গোপালগঞ্জ-১: কারাবন্দী বাবার বিজয়ের জন্য নির্বাচনী মাঠে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছেলে

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ
স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ৫:৫৯ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কারাবন্দী পিতাকে বিজয়ী করার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামলেন ১৬ বছরের খাইরুল আলম সায়াদ। আগামী ২১ এপ্রিল তার এসএসসি পরীক্ষা থাকলেও সে বই-খাতা রেখে রাত দিন মানুষের দ্বারে দ্বারে বাবার জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন।

গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের পুত্র খাইরুল আলম সায়াদ বলেন, “আমার বাবা এমন একজন মানুষ, যিনি কখনো কারো ক্ষতি করেননি। রাজনীতির মাধ্যমে তিনি সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার লক্ষ্য হল বাবার ন্যায় ও মানবিক আদর্শকে মানুষের কাছে তুলে ধরা।”

আশ্রাফুল আলম শিমুলকে রাজনীতিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কারামুক্তির জন্য খাইরুল আলম সায়াদ ভোটারদের কাছে সমর্থন চাইছেন। স্থানীয়রা তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, আলিঙ্গন করছেন এবং দোয়া করছেন।

মঙ্গলবার জানা যায়, গোপালগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর আশ্রাফুল আলম শিমুলের প্রার্থীতা প্রাথমিকভাবে বাতিল হলেও, পরে নির্বাচন কমিশন তা বৈধ ঘোষণা করেন। ৮ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপরই তার অনুপস্থিতিতেই ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

খাইরুল আলম সায়াদ আরও বলেন, “এটি শুধু একটি নির্বাচন নয়। এটি আমার বাবার আদর্শ, দীর্ঘদিনের লড়াই এবং মানুষের প্রতি তার নিবেদনের স্বীকৃতি। অন্ধকার যতই ঘন হোক, সূর্য উঠবেই। এই লড়াইতে আমি একা নই, সঙ্গে আছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের ভোটার এবং পুরো দেশের মানুষ।”

পরিবারের রাজনৈতিক ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন আশ্রাফুল আলম শিমুলের পিতা খায়রুল বাকী মিয়া। ১৯৮৫ সালে মুকসুদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরে ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সর্বশেষ মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি।
 

১২৬ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
সারাদেশ নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন