সর্বশেষ

জাতীয়রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা মিয়ানমারের, বাংলাদেশের নিন্দা
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পথসভায় ময়লা পানি ও ডিম নিক্ষেপ
সারাদেশবিদেশি প্রভাবমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান: সালাহউদ্দিন আহমদ
'হ্যাঁ' ভোট দিলে দেশে অবৈধ ও অন্যায় প্রথা আর ফিরবে না : প্রেস সচিব
আন্তর্জাতিকমিয়ানমারে বিয়ের ও দোয়া মাহফিলে জান্তার বিমান হামলা, নিহত ২৭
খেলাবিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত, অনড় অবস্থানে আইসিসি
জাতীয়

সাময়িক বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক দিলারার এমপিও বাতিল ও মামলা দায়েরের দাবি

শামীম বিন সাত্তার
শামীম বিন সাত্তার

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাময়িক বরখাস্তকৃত প্রধান শিক্ষক দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে এমপিও বাতিল ও ফৌজদারি মামলা দায়েরের দাবি উঠেছে।

সম্প্রতি মাউশি অধিদপ্তর তার বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত (স্টপ পেমেন্ট) করার নির্দেশ দিলেও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রমাণিত অভিযোগের আলোকে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা স্মারক নং–৩৭.০২.০০০০.১০৭.৩১.৩০৮.২০২২(পার্ট-১)-৬৫ অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দারের এমপিও পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়, তিনি ২০২৫ সালের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ইউটিউব থেকে হুবহু কপি করে পরীক্ষার আয়োজন করেন—এমন অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ৩১ আগস্ট ২০২৫ তারিখে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে তিনি লিখিত জবাব প্রদান করেন। বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিভাগীয় কমিশনার, খুলনার নির্দেশনায় সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের উপস্থিতিতে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে তার বেতন-ভাতা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে বিভাগীয় কমিশনার, খুলনার তদন্ত প্রতিবেদনে আরও কয়েকটি গুরুতর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শৈলকুপা পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গনির স্বাক্ষর জাল করে একটি রেজুলেশন তৈরি করা হয়। ওই রেজুলেশন (সভা নং–১৯৯/১৮, তারিখ–৯ জুন ২০১৮) ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমান ও সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলামকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয় এবং অভিযুক্ত নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হন।

এছাড়াও দুটি বিদ্যালয় থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলেও এতদিন কোনো কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি শুধু এমপিও স্থগিত করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে জাল রেজুলেশন তৈরি, আর্থিক অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাউশি অধিদপ্তর, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং পুলিশ প্রশাসনের উচিত দ্রুত এমপিও বাতিল করে ফৌজদারি মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা। অনুসন্ধান করা হলে আরও অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৮৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন