সর্বশেষ

জাতীয়আবারও বাড়ল এলপিজির দাম, ১২ কেজির সিলিন্ডারে বেড়েছে ৫০ টাকা
কর্মজীবী নারীদের নিয়ে মন্তব্য লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক: তারেক রহমান
১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে: কক্সবাজারে জামায়াত আমীর
বিএনপি-জামায়াতের কাছ থেকে জনগণের প্রত্যাশার কিছু নেই: মুফতি রেজাউল করিম
ভোট ছিনতাইয়ের চেষ্টা হলে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে: মামুনুল হক
পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার ১০ বছর, টিউলিপের ৪ ও ববির ৭ বছরের কারাদণ্ড
নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব তফশিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে
নির্বাচন ঘিরে মোটরসাইকেল ও ট্রাক-পিকআপে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা
সারাদেশজামালপুরের নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্গন করায় দুই প্রার্থীকে জরিমানা
কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের জন্য এককভাবে নির্বাচন: চরমোনাই পীর
কুমারখালীতে বিএনপি প্রার্থী মেহেদী রুমীর পক্ষে নারী ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়
কাশিয়ানীর হত্যা মামলার দুই পলাতক আসামি ঢাকা থেকে গ্রেফতার
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলার আসামিদের জামিনে স্ত্রী'র প্রতিবাদ
পে স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে পায়রা বন্দরে কর্মবিরতি, ভোট বর্জনের হুঁশিয়ারি
জামায়াত নারীদের ঘরে আটকে রাখতে চায়: মির্জা ফখরুল
বিএনপির বিজয় ঠেকাতে সূক্ষ্ম কারচুপির চেষ্টা চলছে: নাটোরে দুলু
অপ্রচারের মাধ্যমে জামায়াতের অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না: ইউনুস আলী
স্বাধীনতা যারা বিশ্বাস করেনি, তারাই বিভাজন সৃষ্টি করছে : কক্সবাজারে সালাহউদ্দিন
আজ জাতীয় শ্যুটার মোঃ আসাদুল করিমের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী
পে স্কেল ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে পঞ্চগড়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ
কাশিয়ানীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে চালক নিহত
গোপালগঞ্জে জমি বিরোধের জেরে নারী নিহত, ছেলে গুরুতর আহত
টাঙ্গাইলে জমিজমা নিয়ে বিরোধে হামলায় একজন নিহত
খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম মাইক্রোবায়োলজি অলিম্পিয়াড
আন্তর্জাতিকএপস্টেইন কেলেঙ্কারি বিতর্কে মাস্ক-গেটস থেকে মোদি, খাসোগি হত্যায় এমবিজেডের নাম
ওমরাহ সেবায় অনিয়ম: ১,৮০০ বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সির চুক্তি স্থগিত
খেলাভারতের বিপক্ষে খেলবে না পাকিস্তান, যা বলছে আইসিসি
সাকিবকে পাকিস্তান সিরিজে খেলাতে চায় বিসিবি
জাতীয়

পুলিশের গুলি সেদিন প্রাণ নিতে না পারলেও আজ বেঁচে আছে নিষ্প্রাণ হয়ে

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

শেয়ার করুন:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছিলেন রাজধানীর মেরাদিয়ার নোয়াপাড়ার যুবক আমির হোসেন (২০)।

আজ সেই ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো। এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। জীবনযাপনে সীমাবদ্ধতা, কর্মহীনতা ও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে জীবন পার করছেন এই তরুণ।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর বনশ্রী-মেরাদিয়া এলাকায় আন্দোলনকালে পুলিশের গুলিতে আহত হন আমির হোসেন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তোলপাড় হয়। নির্মাণাধীন একটি ভবনের রড ধরে ঝুলে থাকা অবস্থায় তার ওপর গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

‘ছয়টি গুলি আমার দুই পায়ে লাগে’
সেই দিনের ঘটনা স্মরণ করে আমির বলেন, “আমি হোটেলে কাজ করে বাসায় ফিরছিলাম। রাস্তায় পুলিশ-বিজিবির গাড়ি দেখে ভয় পেয়ে পাশে থাকা নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে উঠি। ওরা পিছু নেয়। আমি বাঁচতে রড ধরে ঝুলে থাকি। এরপরও ছয়টি গুলি করে আমার দুই পায়ে মারে। আমি বার বার বলেছি আমি আন্দোলনের কেউ না, কিন্তু শোনেনি। নিচে লাফ দিতে বলছিল, কিন্তু নিচে ইট-রড থাকায় ঝাঁপ দেইনি।”

ঘটনার পর হৃদরোগ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়। এখনো দুই পায়ে ছয়টি গুলির চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভারী কাজ কিংবা চাপ দেওয়া যাবে না।

‘এক বছরেও কেউ খোঁজ নেয়নি’
এক বছর পর কেমন আছেন—এমন প্রশ্নে আমির হোসেন বলেন, “আগের মতো চলাফেরা করতে পারি না। ভারী কিছু তুলতে পারি না। এখন দোকানদারি ছাড়া আর কিছুই করতে পারব না। কিন্তু সেই পুঁজিটুকুও নেই আমার হাতে। এক বছর ধরে আমার খোঁজ কেউ নেয়নি। মোটামুটি সহায়তা বলতে দুই লাখ টাকা পেয়েছি। আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন একটা রিকশা দিয়েছিল, কিন্তু সেটা চালিয়ে পায়ে আবার ব্যথা ওঠে।”

বিচারের দাবি, কিন্তু অগ্রগতি নেই
আমির হোসেন জানান, তার ওপর গুলি চালানো পুলিশের মধ্যে মাত্র একজন গ্রেফতার হয়েছেন, আরেকজন পলাতক। “সব তথ্য, ছবি, ফুটেজ আছে। তারা রামপুরা থানার পুলিশ ছিল। তাহলে কেন সবাইকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না?”—প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আইনি লড়াইয়ে না যাওয়ার বিষয়ে বলেন, “মামলা করতে বলেছিল অনেকে, কিন্তু খরচ, ঝামেলা আর যদি উল্টো চাপ আসে—সেই ভয়ে মামলা করিনি।”


ঢাকা ছেড়ে গ্রামে ফিরেছেন
আমিরের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে। মাকে হারিয়ে তিন ভাই-বোন ঢাকায় ফুপুর বাসায় ছিলেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ঢাকায় কাজ করতে না পেরে দুই মাস আগে আবার গ্রামে চলে গেছেন। এখন বাবা ও বড় ভাইয়ের আয়ে চলতে হচ্ছে। নিজে কিছু করতে চাইলে প্রয়োজন সহযোগিতা।

“ঢাকায় আর যাব না। যদি গুলি না খেতাম, ঢাকাতেই রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতাম। এখন গ্রামেই থাকতে হবে,”—বললেন আমির।

অভ্যুত্থানের পরও হতাশা
২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক পালাবদলের পর জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের আশা করলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে মনে করেন তিনি। “ভাবছিলাম জিনিসপত্রের দাম কমবে। কিন্তু চাল-ডাল আগের মতোই দামি। আমাদের মতো গরিব মানুষের কষ্ট কমেনি।”

সহায়তা চান, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান
সবশেষে আমির বলেন, “আমি দোকান দিতে চাই। অনেকেই পরামর্শ দিয়েছে, কিন্তু পুঁজি নেই। কেউ যদি পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অন্তত একটা স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারি।”

৩৩৮ বার পড়া হয়েছে

শেয়ার করুন:

মন্তব্য

(0)

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন
এলাকার খবর

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন














সর্বশেষ সব খবর
জাতীয় নিয়ে আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন