সর্বশেষ

বিপিসি

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ

দেশে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। সোমবার সকালে অশ্বিনী কুমার হলচত্বরে আয়োজিত এই সমাবেশ থেকে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে ৩০ শতাংশ সুযোগ দিতে চায় সরকার

দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সরকারি একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন নীতিমালার আওতায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের মোট পেট্রোলিয়াম ব্যবসার সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি ও বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এতে জ্বালানি মজুতের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতা তৈরি হবে।

রিফাইনারি স্থাপনের অনুমতি: আগের নাকচের তথ্য গোপন করে ফের আবেদন

সুপার পেট্রোকেমিক্যালের রিফাইনারি পরিচালনার অনুমতি চেয়ে করা আগের আবেদন নাকচ হওয়ার তথ্য গোপন রেখে প্রতিষ্ঠানটি নতুন করে আবেদন করেছে—এমন অভিযোগের মধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তবে কমিটি গঠনের জন্য বিপিসির পর্ষদে উপস্থাপিত নোটেও আগের আবেদন নাকচের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বরং ওই নোট প্রস্তুতকারী কর্মকর্তাকেই করা হয়েছে তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব।

বেসরকারি পরিশোধিত তেল আমদানিতে আপত্তি নেই, দেশের স্বার্থ সবার আগে

বেসরকারিভাবে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তাতে পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অয়েল অ্যান্ড ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের মহাসচিব ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (জেওসিএল) লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এয়াকুব। তিনি বলেছেন, দেশের স্বার্থ, জনগণের কল্যাণ এবং শ্রমিকদের অধিকার বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে এ বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

জ্বালানি তেল আমদানিতে খুলছে বেসরকারি খাতের দরজা

বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি অনেকটাই নির্ভর করে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের ওপর। শিল্পের উৎপাদন, কৃষির সেচ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন—প্রায় প্রতিটি খাতেই জ্বালানি তেলের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ফলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মূল্য শুধু একটি বাণিজ্যিক বিষয় নয়; এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়, শিল্পের উৎপাদন খরচ এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।

যুদ্ধের ধাক্কায় জ্বালানি আমদানিতে বাড়ছে খরচ, ভর্তুকি চায় বিপিসি

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। গত চার মাসে জ্বালানি তেল কিনতে গিয়ে সংস্থাটির যে বিপুল লোকসান হয়েছে, তা পূরণে সরকারের কাছে ১৮ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি চাওয়া হয়েছে। মার্চ থেকে জুন—এই চার মাসের লোকসানের হিসাব ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে এ অর্থ চেয়েছে।