সর্বশেষ

জুলাই অভ্যুত্থান

গুম ও শহীদ পরিবারের ৭৪ জনের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিগত সরকারের সময়ে গুম ও খুনের শিকার এবং গত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পরিবারের ৭৪ জন সদস্যকে চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি যোগ্য প্রার্থীদের হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিরোধিতার রাজনীতি, নাকি গণতন্ত্রের বিকল্প পথ?

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পর বাংলাদেশের রাজনীতি এক ধরনের অস্বস্তিকর বৈপরীত্যের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। যে আন্দোলন একসময় কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল, সেই আন্দোলনের উত্তরাধিকার নিয়েই এখন নতুন রাজনৈতিক বিরোধ তৈরি হচ্ছে। এমনকি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কিছু রাজনৈতিক শক্তি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারকে তাদের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রস্তাব বাস্তবায়নে চাপ দিতে রাজপথে আবারও অভ্যুত্থানের হুমকি দিচ্ছে।

জুলাই অভ্যুত্থান কোনো দল বা ব্যক্তির নয়, সবার অর্জন: প্রধানমন্ত্রী 

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ ও স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা ব্যক্তির নয়; এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও শান্তিকামী মানুষের সম্মিলিত অর্জন। একই সঙ্গে তিনি জুলাই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, বিচারের নামে যেন কোনো অবিচার না হয়, সে বিষয়েও সরকার সতর্ক থাকবে।

১১ জন কন্যা ও ১৩৫ জন শিশু জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ : শারমিন মুরশিদ

“দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ১১ জন কন্যা ও ১৩৫ জন শিশু জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান এবারের বইমেলায় নতুন তাৎপর্য নিয়ে এসেছে: প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতির গলায় দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চেপে থাকা স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটেছে।