ফেবু লিখন
নিঃসঙ্গ এক কবি হাসান মোস্তফা
এক সময় দেদারচ্ছে কবিতা লিখেছেন কবি হাসান মোস্তফা। বাংলাদেশের এমন কোনো পত্রিকা নেই যেখানে তার লেখা ছাপা হয়নি। আমার সম্পাদিত 'লোকশব্দ' লিটল ম্যাগাজিনে তার একটি কবিতা ছাপার সৌভাগ্য হয়েছিল। বেশ কয়েকটি কবিতার পাণ্ডুলিপি কবির সংগ্রহে আছে। তার অনেক কবিতা পত্রপত্রিকার পাতায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আশির দশকে কবিতা লিখে যারা প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন, তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে হাসান মোস্তফা কবিতায় নিবেদিত ছিলেন। অথচ এই মানুষটি এখন বড়ই নিঃসঙ্গ, একাকী এবং কিছুটা নীরব।
সাবেক স্পিকারের ১৮ মাসের অদৃশ্য অধ্যায়
"সাবেক স্পিকারের মুখভঙ্গি প্রকাশ করছে—১৮ মাস নিরাপদ আশ্রয়ের পরও তিনি শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।" ৫ আগস্ট। সংসদ ভবনের চারপাশে উত্তাল জনতা। দেওয়াল টপকে ঢুকছে মানুষ, আর ভিতরে যেন অন্য কোনো জগৎ।
ফেলে আসা শেওড়াপাড়া, ফেলে আসা দিনগুলো...
সেই কবে... প্রায় সতের বছর আগে এক জুবুথুবু বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় বাসে করে এসে নেমেছিলাম এই শেওড়াপাড়ায়। অলিগলির পাকচক্রে পথ হারিয়ে, আবার পথ খুঁজে খুঁজে অবশেষে কাকভেজা হয়ে পৌঁছেছিলাম বন্ধুর মেসের দরজায়।
নির্জনতার মাঝেও এক অদ্ভুত মায়া
সেদিন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটা আয়োজনে ব্যস্ত ছিলাম।
কথা বলছিলাম সবার সাথে—সব ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু কোথায় যেন নিজের ভেতরটা ফাঁকা লাগছিল।
এমন সময় হঠাৎ ফোন এলো, এক ঘনিষ্ঠ সঙ্গী (সিনিয়র) চলাফেরায় একেবারে বন্ধুর মতো, আর সম্পর্কের গভীরতায় অনেক বড়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এগিয়ে চলছেন কোন পথে?
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারের কাজের সমালোচনা যেমন জরুরি, তেমনি তার ধরনও হওয়া চাই নির্মোহ ও গঠনমূলক। নিছক ঈর্ষাপরায়ণ নিন্দুকের বক্তব্য কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়, কারণ তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।
কুমারখালী রেলস্টেশনট্রেনে ওঠানামায় চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকিতে যাত্রীদের জীবন
কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে প্রতিদিনই ঘটে চলেছে এক নীরব ঝুঁকির গল্প। বড় ট্রেন, কিন্তু ছোট প্ল্যাটফর্ম—এই অসামঞ্জস্যের কারণে যাত্রীদের, বিশেষ করে বয়স্ক ও দুর্বল মানুষের জন্য ট্রেনে ওঠা-নামা হয়ে উঠছে বিপজ্জনক এক চ্যালেঞ্জ।