ফেবু লিখন
ফেলে আসা শেওড়াপাড়া, ফেলে আসা দিনগুলো...
সেই কবে... প্রায় সতের বছর আগে এক জুবুথুবু বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় বাসে করে এসে নেমেছিলাম এই শেওড়াপাড়ায়। অলিগলির পাকচক্রে পথ হারিয়ে, আবার পথ খুঁজে খুঁজে অবশেষে কাকভেজা হয়ে পৌঁছেছিলাম বন্ধুর মেসের দরজায়।
কুমারখালীর গোলাবাড়ি পুকুর
এ আমার শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিবাহী গোলাবাড়ি পুকুর। বিশাল দিঘির মত প্রশস্ত টলটলে পানি।
কুমারখালীর এক নীরব আলোকবর্তিকা
কুমারখালীর এক নীরব আলোকবর্তিকা জন্মদিন মানেই সাধারণত কেক, আনুষ্ঠানিকতা, আয়োজন আর ব্যস্ততার দিন। কিন্তু কিছু মানুষের জন্মদিন এমনই নিভৃত ও নীরব হয়—তবুও ভালোবাসার আলোয় ভরে ওঠে চারপাশ। কুমারখালীর কৃতি সন্তান, কবি–লেখক এবং বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব শ্রদ্ধেয় কাজী আখতার হোসেন ভাইয়ের জন্মদিনও যেন তেমনই এক দিন।
ঈদের আনন্দে উচ্ছৃঙ্খল শব্দ: আমরা কোথায় যাচ্ছি?
এক মাসের সিয়াম সাধনার পর ঈদ আসে সংযমের পর উচ্ছৃঙ্খল আনন্দ নয়, বরং শুদ্ধ আনন্দের এক মহৎ উপলক্ষ হিসেবে।
আব্বা ছাড়া ঈদ! কখনোই পুরো হয় না...
ঈদের নামাজ শেষে বাড়ি ফিরতেই শুরু হলো চেনা সেই হৈচৈ। হাসি, কোলাহল, আর ছোটদের দৌড়ঝাঁপ… সবকিছুই যেন ঠিক আছে, তবুও কোথাও একটা শূন্যতা রয়ে গেছে—নীরব, গভীর ও অদৃশ্য।
ডেট লাইন কুমারখালী
আমার বন্ধু মহলে বিশেষ করে কর্মসূত্রে যেসব বন্ধুদের সংস্পর্শে এসেছি কুমারখালী নামটি তাদের অনেক পরিচিত মনে হয়, যা অনেকেই আমাকে বলেছেন বিভিন্ন সময়ে।