সর্বশেষ

ফেবু লিখন

আমাদের বিয়ের গল্প

গতবারের বিয়ে বার্ষিকীতে বলেছিলাম - ম্যারেজেস আর মেড ইন হ্যাভেন- এটা যারা বিশ্বাস করেন না তাদের আমাদের বিয়ের গল্প শোনাব। বলি বলি করেও বলা হয়নি। আজ বলি আমাদের বিয়ের তেত্রিশতম বার্ষিকীর পর।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
জাহিদ হোসেন জাফর ভাইয়ের চলে যাওয়া

জাফর ভাইকে চিনি সেই পাকিস্তান আমল থেকে যখন আমরা ক্লাস এইটে পড়ি। সে সময় তিনি কুমারখালী থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং হান্নান ভাই সভাপতি। আমাদের এম এন স্কুলে সাংগঠনিক সফরে উনারা আসতেন। কুষ্টিয়া থেকে আসতেন খন্দকার রশিদুজ্জামান দুদু ভাই, গিয়াস উদ্দিন মিন্টু ভাই এবং অনেকে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউল বারী নোমান কমান্ডার এবং জাফর ভাই ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন। কুষ্টিয়া এলাকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মুখ যুদ্ধে উনি অংশগ্রহণ করেন।

বিলুপ্তপ্রায় আতা ফল আড়াই'শো টাকা কেজি !

বাড়ির আনাচে-কানাচে, রাস্তার ধারে কিংবা ঝোপঝাড়ে একসময় চোখে পড়ত আতা ফলের গাছ। এসব গাছে মৌসুমে ভরে থাকত অজস্র ফল। তখন আতা ফলকে অনেকেই তেমন গুরুত্ব দিত না, এমনকি কেউ কেউ একে অখাদ্য বলেও ভাবত। তবুও কিছু মানুষের কাছে এবং বিশেষ করে পাখিদের জন্য এটি ছিল প্রিয় খাদ্য।

নিঃসঙ্গ এক কবি হাসান মোস্তফা

এক সময় দেদারচ্ছে কবিতা লিখেছেন কবি হাসান মোস্তফা। বাংলাদেশের এমন কোনো পত্রিকা নেই যেখানে তার লেখা ছাপা হয়নি। আমার সম্পাদিত 'লোকশব্দ' লিটল ম্যাগাজিনে তার একটি কবিতা ছাপার সৌভাগ্য হয়েছিল। বেশ কয়েকটি কবিতার পাণ্ডুলিপি কবির সংগ্রহে আছে। তার অনেক কবিতা পত্রপত্রিকার পাতায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আশির দশকে কবিতা লিখে যারা প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন, তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে হাসান মোস্তফা কবিতায় নিবেদিত ছিলেন। অথচ এই মানুষটি এখন বড়ই নিঃসঙ্গ, একাকী এবং কিছুটা নীরব।

উপলব্ধি ---

কখনো কখনো মনে হয় ১৯৭১-এর সেই ৯ মাসের সংগ্রাম যদি আরও দীর্ঘ হতো, তাহলে হয়তো আমরা অন্যরকম একটি সমাজ পেতাম—

"নির্মম বাস্তবতা"

শহরের প্রাণকেন্দ্রে বকুলের চায়ের দোকানে আমাদের রাতের শেষ আড্ডাটা যেন প্রতিদিনই নতুন এক রঙে রঙিন হয়ে ওঠে। চায়ের কাপে চুমুক, হালকা হাসি-তামাশা আর সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে তর্ক-বিতর্ক—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক প্রাণবন্ত পরিবেশ।