সর্বশেষ

ফেবু লিখন

আগস্টের আগুনের আঁচে ফের ভাতৃহারা হলাম

কিছু কিছু মৃত্যু সংবাদ হয়ে আসে না—এসে দাঁড়ায় বুকের ভেতর এক অমোচনীয় শোক হয়ে। একটি অকাল মৃত্যু কেবল একটি প্রাণ-প্রদীপ নিভিয়ে দেয় ব্যাপারটা তা না, একটি মৃত্যু নিভিয়ে দেয় একটি পরিবারের আশা ও ভালোবাসার প্রদীপও, নিভিয়ে দেয় একটি সম্ভাবনার বিচ্ছুরণ৷ ম্লান করে দেয় স্বজন-সুহৃদ-সহকর্মী বা বন্ধুদের হাসি-আনন্দ আর স্মৃতিমাখা আড্ডার ঔজ্জ্বল্য। আর কিছু মৃত্যু এমনভাবে এসে পুরোনো ক্ষতকে আবার রক্তাক্ত করে, যেন সময়ের কোনো পর্দাই তাকে ঢেকে রাখতে পারে না।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
১৫ আগস্ট: বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়

আজ ১৫ আগস্ট, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে এই দিনটি এবার আগের মতো উৎসবমুখর নয়। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় গত দুই বছর ধরেই রাষ্ট্রীয় বা দলীয় কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই এই দিনটিতে।

স্মৃতিতে আমার পিতাঃ সময়ের ব্যবধানে

আজ আমার পিতা কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ মরহুম মাওলানা আবদুস ছাত্তারের তেইশতম মৃত্যুবার্ষিকী। গত কয়েক বছর ধরে এই দিনে আমি পোস্ট দিয়ে আসছি,যেখানে তার জীবন ও কর্মের উপর কিছু কিছু বলা হয়েছে। আজ উনার বিষয়ে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে কিছু লেখার চেষ্টা করব।

আমার প্রিয় একজন সফল শিক্ষকের কাহিনী

মাওলানা আব্দুস সাত্তার ১৯১০ সালে বর্তমান রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার ভেলাবাড়ীয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মৌলভী মোঃ সাদেক আলী। তিনি বগুড়ার নাজমুল উলুম সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে “দাখিল” ও “আলিম” পাস করেন এবং কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে “ফাজিল” ও “কামিল” পাস করেন। তিনি ৭ (সাত) সন্তানের (৫ পুত্র ও ২ কন্যা) জনক। তিনি ২০০২ সালের ১৩ আগস্ট ৯২ বছর বয়সে কুমারখালী শহরে তাঁর নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন।

ফিরে পাওয়া শৈশব

নৌকা নিয়ে শিশুদের দুরন্তপনার দৃশ্য দেখতে দেখতে কখন যে নিজের শৈশবের উঠোনে ফিরে গিয়েছিলাম, টেরই পাইনি। চোখের সামনে তখন আর আব্দুল্লাহ, ছাবিব কিংবা হুসাইন নয়—দেখতে পাচ্ছিলাম আমাদেরই ছোট্টবেলার মুখ। মনে হচ্ছিল, সময় যেন হঠাৎ পেছন দিকে হাঁটতে শুরু করেছে। নদীর জলে ভেসে উঠেছে হারিয়ে যাওয়া সেই দিনগুলো।

প্রিয় নোমান আর নেই

আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিট।
নোমানের ফোন। মাত্র ১ মিনিট ৬ সেকেন্ড কথা হলো।
— "ভাই, উপজেলা গেটের সামনে বসলাম, আপনি আসেন।"
আমি বললাম, "হ্যাঁ, তুমি বসো, আমি আসছি।"
কে জানত, এটাই হবে নোমানের সঙ্গে আমার শেষ কথা!