মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীদের জন্য সুখবর
ঢাকা মহানগরীর মধ্যে মোটরসাইকেল চালকদের সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ১০ মার্চ বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন- ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিং অ্যাপে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরণ, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে; ফিলিং স্টেশন হতে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা প্রদান করতে হবে এবং সর্বশেষ মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সঙ্গে যাচাইপূর্বক জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হবে।
মানবাধিকার পরিপন্থী :আটক সাংবাদিকদের মুক্তি জরুরি
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশে কয়েকজন সাংবাদিকের গ্রেফতার ও দীর্ঘদিন আটক থাকা গভীর উদ্বেগের বিষয়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ন্যায্য বিচারের অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সাংবাদিকদের আটক রাখা মানবাধিকার পরিপন্থী এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্বার্থে আটক সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন।
নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ সুশাসন প্রতিষ্ঠা
তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মব সংস্কৃতি দমন এবং প্রশাসনে জবাবদিহি ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত নীতিমালা জরুরি। সুশাসন, কার্যকর আইন প্রয়োগ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছাই পারে দেশকে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর পথে এগিয়ে নিতে।
শপথের শুরুর দিনেই বিএনপি-জামায়াতের উত্তাপ
শপথ গ্রহণের দিনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথকে কেন্দ্র করে উত্তাপ ছড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে। পরিষদে অংশগ্রহণ ও শপথের প্রক্রিয়া নিয়ে দুই দলের অবস্থানে ভিন্নতা প্রকাশ পায়। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। শপথের দিনেই এমন মতভেদ ভবিষ্যৎ সমঝোতা রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎরাজনৈতিক সম্প্রীতির নতুন দুয়ার
তারেক রহমান সরকার গঠনের প্রাক্কালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন। তাঁর এই উদ্যোগ রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থার নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছে। সমঝোতা ও সংলাপের মাধ্যমে স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তোলার বার্তা দিচ্ছেন তিনি। রাজনৈতিক অঙ্গনে এ পদক্ষেপ ইতিবাচক আলোচনা সৃষ্টি করেছে
সরকার গঠনে বিএনপিমন্ত্রিসভায় কারা আসছেন
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ ও মেধাবীদের প্রাধান্য থাকবে। বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক নেতাকে মন্ত্রিসভায় না-ও দেখা যেতে পারে। পুরো দেশ ও বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।