সর্বশেষ

মতামত

রামিসা নজির হলে আছিয়ারা কেন বঞ্চিত?

লক্ষ লক্ষ নারীর সম্ভ্রম আর চরম আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন ভূখণ্ডে আজও নারীরা অনিরাপদ। অত্যন্ত বেদনার সঙ্গে আমাদের স্বীকার করতে হয়—দেশ স্বাধীন হলেও নারীদের অবমাননা, পৈশাচিক সহিংসতা আর নির্মম হত্যাকাণ্ড আজও থেমে নেই। স্বাধীনতার এত বছর পরেও যেখানে নারীদের প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার লড়াই করতে হয়, তা একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের সামষ্টিক বিবেককে কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। এটি শুধু লজ্জাজনকই নয়, আমাদের জাতীয় অগ্রগতির বুকে এক বিরাট কলঙ্ক।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
একটাই পৃথিবী, একটাই সুযোগ বিশ্ব পরিবেশ দিবসের অতীত, বর্তমান ও আমাদের করণীয়

বিশ্ব পরিবেশ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক পালনীয় দিন নয়, বরং বৈশ্বিক পরিবেশ আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র। ১৯৭২ সালের ৫ জুন সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক 'মানব পরিবেশ সম্মেলন'-এর স্মরণে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে বেছে নেয়। পরের বছর, ১৯৭৩ সালে প্রথমবারের মতো "একটাই পৃথিবী" স্লোগান নিয়ে দিবসটি পালিত হয়। বর্তমানে ১৪৩টিরও বেশি দেশ প্রতি বছর এই দিবসে অংশগ্রহণ করে, যা একে পরিণত করেছে বিশ্বের বৃহত্তম পরিবেশবাদী প্ল্যাটফর্মে।

সন্তান মানুষ করছি, নাকি মানুষ গড়ছি?

সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা আমাদের সবাইকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। ঘটনাটি শুধু একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়, বরং আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের সংকটকেও সামনে নিয়ে এসেছে।

রত্নগর্ভা মায়ের অগ্নিগর্ভ বিদায়ঃ সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়

সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যেক মা-বাবারই স্বপ্ন থাকে। তারা চান তাঁদের সন্তানরা উচ্চশিক্ষিত হোক, প্রতিষ্ঠিত হোক এবং সমাজে সম্মানজনক অবস্থান অর্জন করুক। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেক অভিভাবকের স্বপ্ন থাকে সন্তানকে দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেমন বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা ঢাকা মেডিকেল কলেজে পড়ানো।

কোমল মানুষের পৃথিবী ও কোরবানীর দর্শন

আমি মানুষকে ঘৃণা করতে শিখিনি। পৃথিবী আমাকে বহুবার শিখাতে চেয়েছে- কীভাবে প্রতিশোধ নিতে হয়। কীভাবে আঘাতের বদলে আরও গভীর আঘাত ফিরিয়ে দিতে হয়। কীভাবে মুখে হাসি রেখে অন্তরে বিষ লুকিয়ে রাখতে হয়। কিন্তু আমি পারিনি। কারণ আমার ভেতরে এখনো এক ধরনের কোমলতা বেঁচে আছে। যা বারবার আহত হয়েও নিষ্ঠুর হতে শেখেনি।

উৎসব এলেই সড়কগুলো একেকটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়

উৎসবের আনন্দ আর কতকাল কান্নায় রূপ নেবে? উৎসব এলেই দেশের সড়কগুলো যেন একেকটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়। আনন্দের পরিধি একটুও বদলায় না, শুধু বদলে যায় চিরতরে হারিয়ে যাওয়া কিছু নতুন, তাজা এবং স্বপ্নময় প্রাণ। এই নির্মম মৃত্যুর মিছিলে আসলে দায়ী কে? সড়ক ব্যবস্থাপনা, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী, বিআরটিএ (BRTA), নাকি বাস-ট্রাক মালিক কর্তৃপক্ষ?