সর্বশেষ

মতামত

বাংলা নববর্ষ : ঐহিত্য ও ইতিহাসের অংশ

বাংলা বছর বা বাংলা সন অথবা বঙ্গাব্দ, যে নামেই ডাকা হোক না কেন বাংলা নববর্ষ হচ্ছে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অহংকার। এই বাংলা সনের প্রবর্তক হলেন মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট মির্জা জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবর। সম্রাট কর্তৃক রাজ্যের খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্যই ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬) সম্রাট আকবর হিজরি ও সৌর সনের সমন্বয়ে এই নতুন বর্ষপঞ্জি চালু করেছিলেন, যা প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল। জ্যোতির্বিদ আমীর ফতুল্লাহ শিরাজী এটি তৈরি করেন এবং আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (১৫৫৬ সাল বা ৯৬৩ হিজরি) থেকে এর গণনা শুরু হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
'হাম'-শিশুর মৃত্যু : প্রতিরোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত টিকা গ্রহণের হার কমে যাওয়া, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, জনঘনত্ব এবং অসচেতনতার কারণে মহামারিতে রূপ নিয়ে থাকে।

তেল নিয়ে তেলিসমাতি

জ্বালানি তেল নিয়ে দেশ সংকটে! সংকটটা গভীরতর হচ্ছে। মহানগরীর পাম্পগুলোতে সাইনবোর্ড। বলা হচ্ছে তেল নেই পাম্পে। পরিবহনের দীর্ঘতম লাইন।

জ্বালানি সাশ্রয়ের অজুহাতে অনলাইন ক্লাসবাস্তবে কি বাড়বে না বিদ্যুৎ খরচই?

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের অজুহাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন সশরীরে ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু একটি ক্লাসরুমের ছয়টি ফ্যান–টিউবলাইট বন্ধ রেখে ৮০ শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে বাস্তবে কি সত্যিই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে, নাকি উল্টো ৮০টি ফ্যান, ৮০টি বাতি ও অসংখ্য ডিভাইস চালিয়ে আরও বড় জ্বালানি চাপ তৈরি হবে—এ নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন।

যুদ্ধবাজদের থামানো কেবল শান্তির জন্য নয়, বরং পৃথিবীর অস্তিত্ব রক্ষার জন্যও জরুরি

যুদ্ধ কেন হয় এবং এর পেছনে কাদের স্বার্থ থাকে, এই যুদ্ধ কেন এবং কাদের জন্য লাভ? যুদ্ধ কী আসলেই লাভ। নিশ্চয় নয়। পৃথিবী সৃষ্টি হওয়ার পর মানুষের সাথে মানুষের , দেশের সাথে দেশের, অঞ্চলের সাথে অঞ্চলের, মহাদেশের সাথে মহাদেশের দ্বন্দ্ব , সংঘাত, সম্প্রসারণনীতি, দখল, উন্মত্ততা, বর্বরতা, কর্তৃত্ব , আধিপত্য এবং সস্পদ, ক্ষমতার প্রতিযোগিতা--- দিন-কে-দিন সাম্রাজ্যবাদীদের যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

নীতি, বাস্তবতা ও সংসদীয় বিতর্ক—রাষ্ট্রবিজ্ঞান কি বলে?

সাম্প্রতিক সংসদীয় আলোচনায় সংসদ সদস্য ও বিএনপির রাজনৈতিক মিত্র ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপির চেয়ারম্যান) এবং বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।