ফিচার
১৪ বছর পরও অমীমাংসিত সাগর-রুনি হত্যা: সাংবাদিকতার বুকে এক ঐতিহাসিক ক্ষত
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২-এর সেই রাতটা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নিঃশংসভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এক পরিবারের দুই সাংবাদিককে হত্যার সেই ঘটনা শুধু দুই পরিবারকে ভাঙিয়ে দেয়নি; পুরো সাংবাদিক সমাজের বুকে এক গভীর ক্ষত রেখে গেছে।
গুগলের টাইটানিক আর জেমিনির ভাঙা কম্পাস
ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। রোমান সাম্রাজ্য থেকে নোকিয়া, ব্ল্যাকবেরি, ইয়াহু—সবাই একদিন শিখর থেকে নিচে পড়েছে। তাদের পতনের পেছনে ছিল তিনটি রোগ: অহংকার, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা, আর ভেতরের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সাফাই গাওয়ার অভ্যাস। আজ Google আর তাদের এআই প্ল্যাটফর্ম Gemini-কে ব্যবহার করতে গিয়ে আমি যে অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছি, সেখানে ঠিক এই তিনটি লক্ষণকেই আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।
একতারার ইমাম মরমী সাধক উকিল মুন্সী ও তাঁর অবয়ব
বাংলার মাটি মরমী সাধকদের পুন্যভূমি। যুগ যুগ ধরে বাংলার মাটিতে আগমন ঘটেছে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত মরমী সাধকদের। তাঁরা তাঁদের গানের মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন সৃষ্টির কথা, সৃষ্টিতত্ত্বের কথা, মানবতার কথা, সহমর্মিতার কথা, সহনশীলতার কথা, সম্প্রীতির কথা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা, বিরহ-বিচ্ছেদের কথা। তেমনি একজন মরমী সাধক ভাটি-বাংলার উকিল মুন্সী (১১ জুন ১৮৮৫-১২ ডিসেম্বর ১৯৭৮)। যিনি তাঁর গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এসব বিষয় সুরে সুরে সাবলীলভাবে।
মধুমাসের মাধুর্যে বাংলার গ্রীষ্ম
ঋতুবৈচিত্র্যের অপার সৌন্দর্যে ভরা আমাদের বাংলাদেশ। ঋতুর পালাবদলে বাংলার প্রকৃতি বদলে নেয় আপন রূপ, ধারণ করে নতুন নতুন রঙের সমারোহ।
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ : ইতিহাসের এক মহানায়ক
৭ জুন, ১৮৭১, জন্ম গ্রহন করেছিলেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, আমাদের ইতিহাসের দ্যুতিময় ব্যক্তিত্ব, উপমহাদেশের আজাদী ও পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অগ্রনায়ক ও উজ্জল নক্ষত্র।
এক বৈশ্বিক চেতনার কবি
কাজী নজরুল ইসলামের সমসাময়িক সময়ে (১৮৯৯-১৯৭৬) বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকজন বিশ্বখ্যাত এবং কালজয়ী কবি-সাহিত্যিক ছিলেন, যাঁরা নজরুলের বিপ্লবী লেখনী, সাম্যবাদী দর্শন এবং সৃষ্টিশীল প্রতিভার খবর রাখতেন, তাঁকে চিনতেন এবং অনেকেই তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসাও করেছিলেন।