ফিচার
সংবাদকর্মী থেকে সম্পাদক: খাজা কাওছারীর বৌদ্ধিক অভিযাত্রা
সাংবাদিকতা, সাহিত্য সম্পাদনা, গবেষণাধর্মী লেখালেখি ও মানবাধিকার কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ কর্মযাত্রা গড়ে তুলেছেন খাজা মাসুম বিল্লাহ কাওছারী। ১৯৯৭ সালে বরগুনার আমতলী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে তিনি কাজ করেছেন বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে। বর্তমানে দৈনিক ‘কালের কথা’র সম্পাদক এবং ত্রৈমাসিক গবেষণাধর্মী পত্রিকা ‘শিক্ষালয়’-এর নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, ইতিহাস ও দর্শনভিত্তিক চিন্তাচর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা একজন সংবাদকর্মী থেকে সম্পাদক হয়ে ওঠার পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক অভিযাত্রারও পরিচয় বহন করে।
মাটির হাঁড়ির স্বাদ থেকে মদের দাম ও নাইটলাইফের আভিজাত্য
বাট্টারামুল্লার প্রধান সড়কে প্রায় দিন সকালে কিংবা রাতে হেঁটে যাওয়ার সময় চোখে পড়ে বেশ কিছু মাটির হাঁড়ি-পাতিলের দোকান। শুধু বাট্টারামুল্লাতেই নয়, কলম্বোর আরও নানা প্রান্তেও এমন দৃশ্য খুব সাধারণ। আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে এত বিকল্প উপাদান থাকতেও লঙ্কানরা কেন এখনো মাটির পাত্র ব্যবহার করে, এ প্রশ্ন মনে আসা স্বাভাবিক।
হাজার বছর ধ'রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে...
আমি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান অভিবাসী । দীর্ঘদিন পর পরিবারের সাথে পূর্নমিলনের জন্য ক'দিন আগে আসা হয়েছে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে। আমার কানাডা হতে এখানে আসার একদিন পরেই বাংলাদেশ হতে এসেছেন পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। আমরা উঠেছি ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের কোট্টে জেলার বাট্টামুলার অভিজাত এলাকায়। বান্দরনায়েক বিমানবন্দর হতে ৩৭ কিলোমিটার দূরত্বে ছিমছাম শান্ত নিরিবিলি শহর।
সবুজ ছায়ার কলম্বো: এক টুকরো প্রশান্তির শহর
কলম্বোর যে অংশে আমি অস্থায়ী নিবাস গেড়েছি, সে অঞ্চলটি খুবই অভিজাত ও বনেদি। এয়ারবিএনবি বুকিং করার সময় বিষয়টি আমার জানা ছিল না। বাট্টামুলার (Battaramulla) এই আবাসিক এলাকাটিতে বড় বড় শিল্পপতি, ব্যারিস্টার ও ব্যবসায়ীদের বিশাল সব বাড়ি রয়েছে।
নিশীথ আকাশের নীরব কথোপকথন: চাঁদ ও শুক্রের সেই সখ্যভূমিকা
সূর্য নামছিল যেভাবে প্রতিদিন নামে—ধীরে, নিঃশব্দ, অভ্যস্ত ছন্দে। কিন্তু গতকাল, সোমবার সন্ধ্যাদিগন্তে ঢলে পড়ার পরপরই বাংলাদেশের আকাশ যেন হঠাৎ এক ভিন্ন ভাষায় কথা বলে উঠল।
১১৩ম মৃত্যুবার্ষিকীতে অতল শ্রদ্ধাযুগান্তরের প্রধান নেতা বিপ্লবী বাঘা যতীন
১. সংস্কৃতিনগরী কুমারখালী। এ মাটির সদাগন্ধে মাতোয়ারা হয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সহ অনেক মনীষীদের আগমন ঘটে এখানে। বাউল সম্রাট লালন শাহ, কথা সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ঐতিহাসিক ‘গ্রামবার্ত্তা’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সাংবাদিক কাঙাল হরিনাথ মজুমদার, ওহাবী আন্দোলনের নেতা কাজী মিয়াজান, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী ও কৃষক প্রজা পার্টির নেতা, অবিভক্ত বাংলার তিনবারের মন্ত্রী মৌলভী শামসুদ্দিন আহমেদ, কবি ভোলানাথ মজুমদার, সাংবাদিক জলধর সেন, কথাশিল্পী আকবর হোসেন, যোবেদা খানম, ঐতিহাসিক অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়, লোক কবি গগন হরকরা সহ অসংখ্য গুণী মনীষীদের জন্মভূমি। এ নগরীর একটি গ্রাম কয়া। এটি সাধারণ কোন গ্রাম নয়।