সর্বশেষ

ফিচার

নিশীথ আকাশের নীরব কথোপকথন: চাঁদ ও শুক্রের সেই সখ্যভূমিকা

সূর্য নামছিল যেভাবে প্রতিদিন নামে—ধীরে, নিঃশব্দ, অভ্যস্ত ছন্দে। কিন্তু গতকাল, সোমবার সন্ধ্যাদিগন্তে ঢলে পড়ার পরপরই বাংলাদেশের আকাশ যেন হঠাৎ এক ভিন্ন ভাষায় কথা বলে উঠল।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
মেসির ‘স্লো ফুটবল’ ও ফাইনালের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ!

২০২৬ বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি তার মোট অতিক্রান্ত দূরত্বের ৪৭% হেঁটে পার করেছেন. ফিফা (FIFA) ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যমগুলোর ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকার হাঁটার নিখুঁত পরিসংখ্যান সবাইকে চমকে দিয়েছে!কম দৌড়েও টুর্নামেন্টে ৩৩টি শট নিয়েছেন। সতীর্থদের জন্য সর্বোচ্চ ২১টি সুযোগ তৈরি করেছেন। হাঁটার ফাঁকেই গোল করেছেন সর্বোচ্চ ৮টি।অ্যাসিস্ট করেছেন আরও ৪টি গোল—কাতার বিশ্বকাপেও লিওনেল মেসির মোট কভার করা দূরত্বের ৫৭ শতাংশই ছিল হাঁটার গতি।

২৬৯তম মৃত্যুবার্ষিকীদেশপ্রেমিক মানুষের স্বপ্নের নায়ক নবাব সিরাজউদ্দৌলা


নবাব শাহ কুলী খান মির্জা মুহাম্মাদ সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব। তিনি ১৭৫৬ থেকে ১৭৫৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন। তাঁর রাজত্বের সমাপ্তির মধ্য দিয়েই বাংলা এবং পরবর্তীতে প্রায় সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের উপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের সূচনা হয়। সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মীরজাফর, রায়দুর্লভ এর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন।

জীবনের বালুচরে এক অনন্ত অপেক্ষা

আমার দাদীর কাছে সারা পৃথিবী এক পাশে, আর আমি অন্য পাশে তবু তাঁর কাছে আমার ওজনই বেশি ছিল।
আর আমার কাছেও দাদী মানেই এক পৃথিবী, যার কাছে বাকি সবকিছুই তুচ্ছ।

গুগলের টাইটানিক আর জেমিনির ভাঙা কম্পাস

ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, কোনো সাম্রাজ্যই চিরস্থায়ী নয়। রোমান সাম্রাজ্য থেকে নোকিয়া, ব্ল্যাকবেরি, ইয়াহু—সবাই একদিন শিখর থেকে নিচে পড়েছে। তাদের পতনের পেছনে ছিল তিনটি রোগ: অহংকার, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা, আর ভেতরের ব্যর্থতাকে ঢাকতে সাফাই গাওয়ার অভ্যাস। আজ Google আর তাদের এআই প্ল্যাটফর্ম Gemini-কে ব্যবহার করতে গিয়ে আমি যে অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেছি, সেখানে ঠিক এই তিনটি লক্ষণকেই আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।

একতারার ইমাম মরমী সাধক উকিল মুন্সী ও তাঁর অবয়ব

বাংলার মাটি মরমী সাধকদের পুন্যভূমি। যুগ যুগ ধরে বাংলার মাটিতে আগমন ঘটেছে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত মরমী সাধকদের। তাঁরা তাঁদের গানের মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন সৃষ্টির কথা, সৃষ্টিতত্ত্বের কথা, মানবতার কথা, সহমর্মিতার কথা, সহনশীলতার কথা, সম্প্রীতির কথা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা, বিরহ-বিচ্ছেদের কথা। তেমনি একজন মরমী সাধক ভাটি-বাংলার উকিল মুন্সী (১১ জুন ১৮৮৫-১২ ডিসেম্বর ১৯৭৮)। যিনি তাঁর গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এসব বিষয় সুরে সুরে সাবলীলভাবে।