ফিচার
ময়মনসিংহ অঞ্চলে পর্যটনশিল্প বিকাশে পুরাকীর্তির ভূমিকা
গত ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলার পর্যটনশিল্পের বিকাশ এবং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন পার্কের সার্বিক উন্নয়ন উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা শ্রশাসনের ফেসবুক পেইজ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে এই আলোচনা সভা সম্পর্কে অবগত হয়ে যারপারনাই পুলকিত হয়েছি।
একতারার ইমাম মরমী সাধক উকিল মুন্সী ও তাঁর অবয়ব
বাংলার মাটি মরমী সাধকদের পুন্যভূমি। যুগ যুগ ধরে বাংলার মাটিতে আগমন ঘটেছে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত মরমী সাধকদের। তাঁরা তাঁদের গানের মাধ্যমে ব্যক্ত করেছেন সৃষ্টির কথা, সৃষ্টিতত্ত্বের কথা, মানবতার কথা, সহমর্মিতার কথা, সহনশীলতার কথা, সম্প্রীতির কথা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা, বিরহ-বিচ্ছেদের কথা। তেমনি একজন মরমী সাধক ভাটি-বাংলার উকিল মুন্সী (১১ জুন ১৮৮৫-১২ ডিসেম্বর ১৯৭৮)। যিনি তাঁর গানের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এসব বিষয় সুরে সুরে সাবলীলভাবে।
মধুমাসের মাধুর্যে বাংলার গ্রীষ্ম
ঋতুবৈচিত্র্যের অপার সৌন্দর্যে ভরা আমাদের বাংলাদেশ। ঋতুর পালাবদলে বাংলার প্রকৃতি বদলে নেয় আপন রূপ, ধারণ করে নতুন নতুন রঙের সমারোহ।
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ : ইতিহাসের এক মহানায়ক
৭ জুন, ১৮৭১, জন্ম গ্রহন করেছিলেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর। নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, আমাদের ইতিহাসের দ্যুতিময় ব্যক্তিত্ব, উপমহাদেশের আজাদী ও পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অগ্রনায়ক ও উজ্জল নক্ষত্র।
এক বৈশ্বিক চেতনার কবি
কাজী নজরুল ইসলামের সমসাময়িক সময়ে (১৮৯৯-১৯৭৬) বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকজন বিশ্বখ্যাত এবং কালজয়ী কবি-সাহিত্যিক ছিলেন, যাঁরা নজরুলের বিপ্লবী লেখনী, সাম্যবাদী দর্শন এবং সৃষ্টিশীল প্রতিভার খবর রাখতেন, তাঁকে চিনতেন এবং অনেকেই তাঁর কাজের ভূয়সী প্রশংসাও করেছিলেন।
গাউসুল আজম খানকা শরীফ: দক্ষিণবঙ্গে দেড় শতকের ঐতিহ্য
বাংলার আধ্যাত্মিক ইতিহাসে মসজিদ, মাদ্রাসা ও খানকাহ সংস্কৃতি শুধু ধর্মীয় অনুশীলনের কেন্দ্র ছিল না বরং এগুলো ছিল স্রষ্টার প্রার্থনা, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক সংহতি ও আত্মিক পরিশুদ্ধির এক অনন্য ধর্মচর্চার কেন্দ্র।