ঝোল
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬ ১২:২১ অপরাহ্ন
শেয়ার করুন:
চিরকাল সাইড স্ট্রিমের সাউন্ড পেল্লায় চিৎকার করে; অথচ মেইন স্ট্রিমের থিম, কনটেক্সট আহতকাল ধরে গোল্লায় গেলেও, তাতে ভ্রুক্ষেপহীন উপায়!
খালি কলসের ওজনই শুধু কম নয়, বাজনাও বেশি— যদিওবা মাত্রাগুলো সঠিকমাত্রায় বাজতো, খদ্দের হতো খুশি;
দ্বয়োধ্বনির দরদাম চলে ভালো, দরপত্রের আলেয়ায় স্ফীতি, স্ফটিক গ্লাসের ঝাঁ চকচকে মার্জিনের সরলরেখায় সুদকষা রাফখাতায় জের পরে থাকে—
বাকী থাকে বকেয়া চিরকাল, মজুরের, মুটের, কৃষকের, সাধারণের গায়ের ওপর তা কড়া ও গভীরভাবে মৌনৌষ্ণতার দীপ্তি ছড়ায়;
আহা! এমন গরমে ঝিরিঝিরি বাতাসের ফাঁক গলে কতিপয় বাড়িতে টগর ফোটে!
কুলির বাড়িতে ভাত ফোটে না, তাতে আমার কী, তোরই বা কী?
কারও কিছু না!
এসব শব্দের হরিৎহেতু, শাদা বয়ান, খাঁটি সরিষা ভাঙিয়ে বয়ানগুলো বয়ামে ভরে রাখলে অবশ্য আচারের মতো বছর বছর ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এডমিকচার হিসেবে নতুন ন্যারেশনের সাথে মিশিয়ে মজার সাবস্ট্যান্স তৈরি হয়। তখন দায়িত্বপ্রাপ্ত, কর্তব্যরত কর্তাদের কারকগুলো কিংবদন্তির কিতাবের সাথে মিশে গিয়ে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হয়, তাতে কিছু পেলাসাইডিং হয় বটে!
মুশকিল হলো, এসব সাইড স্ট্রিমের বোলওলের মতো চুলকেলেও কর্তৃকারকেরা নিজের ন্যারেশন, লাভের লোভের ঝোলে চাটুপুটি করে হাত-পা, নাক-মুখ ডুবিয়ে!
ভালো খেলে ওরা। শুধুই গোল করে, গোলবারে নিরাপদে দাঁড়িয়ে থাকে, বল গেলেই গোল করে। মিস নেই, তাই পেনাল্টি কিকেরও প্রয়োজন নেই!
আহারে! এসব মরশুমে প্লেয়ার, চারদিকে তাদেরই কদর!
মজার ব্যাপার, এদের অনেকেরই আবার বাজারে খুব সুনাম। সেই নাম, সর্বনাম ভাঙিয়ে লাভের পরচাটা তুলে নেয়, বাদ যায় যাক তাদের নাম কিংবদন্তির তালিকা থেকে! ভ্রুক্ষেপহীন! লাভই আসল, আর সব বাকি আর ফাঁকি!
তাই সময় থাকতে থাকতে ঝাঁ চকচকে নোটগুলি ক্রমশ পাচার করে অবসরে ওগো বিদেশিনির হাওয়া গায়ে লাগিয়ে বয়ামে রাখা বয়ানসমৃদ্ধ আচারে চোখ রাখা যাবে, হোক তাতে টক জিহবাটা!
ঝুলে যায় যাক, তবু ঝোল নড়ুক জিহবা দিয়ে!
১৭২ বার পড়া হয়েছে